জ্যাডিকিয়েলর কিছু নৈসর্গিক গণনা:

বিশ্বে মান্যতা প্রাপ্ত জ্যাডিকিয়েল মতের কিছু নৈসর্গিক গণনা প্রণিধানযোগ্যতার সহিত উল্লেখ করলাম । যাতে প্রকৃতির বিভিন্ন পূর্বাভাস অতি সহজেই বুজতে পারা যায়।
১)সূর্য্য অস্ত যাবার সময় রশ্মি দেখা গেল বুঝবেন খুব শীঘ্রই পরিষ্কার দিন আসতে চলেছে।
২)সূর্যোদয়ের সময় পূর্বদিক ম্লান ও অপরিচ্ছন্ন থাকলে বুঝতে হবে ঋতু পরিবর্তন হতে চলেছে।
৩)সূর্য্য অস্ত যাবার সময় উত্তর দিকে আরক্তিম বর্ন দৃশ্য হলে বুঝবেন খুব শীঘ্রই ঝড় বৃষ্টি আসতে চলেছে।
4) সূর্য্য অস্ত যাবার সময় দক্ষিণ দিকে মেঘ লোহিত বর্ন হলে বুঝবেন কিছু দিনের মধ্যে বৃষ্টি হবে।
৫)সূর্য্য কিরণ দ্ধারা চন্দ্র মন্ডল সমাচ্ছন্ন হলে সত্বর বৃষ্টি হয়ে থাকে।
৬)দ্বিপ্রহরে সূর্য্যরশ্মি অতি উজ্জ্বল ও উষ্ণ হলে শীঘ্রই বৃষ্টি হয়ে থাকে।
৭)পল্লীধুম উর্দ্ধে না উঠে নিম্নমুখী হলে জানবেন বৃষ্টি হতে আর বেশি দেরী হবে না।
৮)গ্রীষ্মকালে কুয়াশার উর্ধগতিতে আকাশ পরিষ্কার ও নিম্ন গতিতে সত্বর বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকে।
৯)কুকুর বিড়াল চঞ্চলভাবে ইতস্ততঃ ঘুরে বেড়ালে প্রকৃতির প্রতিকূল রূপ দেখতে পাওয়া যায়।
১০)বৃষ্টির সময় যখন চাতক পক্ষী গৃহ
১১)বর্ষাকালে গবাদি পশু মাঠে গিয়ে একত্র হয়ে ভয়ার্ত দৃষ্টিতে চারদিকে অবলোকন করতে থাকে তখন বুঝতে হবে বজ্রপাত সহ বৃষ্টি খুব শীঘ্রই হবে।
১২)পূর্বাহ্নে পুকুর হতে ধোঁয়াকার উত্থিত হলে ও পুঞ্জীকৃত ভাব দৃষ্ট হলে শীঘ্রই বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকে ।
১৩)গ্রীষ্মকালে যখন নিঃশাস নিয়ে কষ্ট বোধ হয়, বাতাস ভার ও উষ্ণ বোধ হয় তখন বৃষ্টির বেশি বিলম্ব হয় না।
১৪)উদয়কালে সূর্য্য রশ্মিহীন, তপ্তধাতুপিণ্ডবৎ পরিদৃষ্ট হলে পরিষ্কার দিন আগত বুঝবেন।
১৫)শরৎ অথবা শীত কালে অস্তগামী সূর্য্য লোহিতবর্ন হলে উত্তর পশ্চিম দিক থেকে ঝড় তুফান আসার সম্ভাবনা থাকে।
১৬)যখন জলচর পক্ষীগুলি জলের উপর উড়ে বেড়ায় অথচ আহার সংগ্রহের চেষ্টা করে না তখন বুঝবেন ঝড় বৃষ্টির আর বেশি বিলম্ব নেই।।
🌐দক্ষিণ ভারতীয় কেপি পদ্ধতিতে জন্ম কুন্ডলী বিচার করানোর জন্য ফোন করুন 9476907326 /8472962928 নম্বরে।।

एक टिप्पणी भेजें

0 टिप्पणियाँ