চোখ: যাঁদের চোখ কোটরগত হয় এই সব ব্যক্তি ঠগ এবং প্রতারক হয়, এদের মনে দয়া মায়া খুবই কম থাকে। নিজের স্বার্থ সিদ্ধির জন্য অন্যায় কাজ করতেও এদের দ্বিধাবোধ হয় না। যে সব ব্যক্তির চোখ দুটি গোলগোল হয়, সেই সব ব্যক্তি খুবই সাহসী, চতুর এবং স্বার্থপর হয়ে থাকে। ময়ূরের মতো যাঁদের চোখ হয় এরা বেইমান হন। আর যাঁরা কথা বলার সময় এদিকে ওদিকে শুধু চোখ ঘুরায় তাদের কথায় বিশ্বাস করাটা ঠিক নয়, কারণ এর মিথ্যুক হোন।
মাথা: যাঁদের মাথা দেহের অনুপাতে ঠিক থাকে তারা খুবই বিশ্বাসী হয়। যাঁদের মাথা দেহের অনুপাতে ছোট হয় এবং চলার সময় বা কথা বলার সময় মাথা কাঁধের ওপর এদিক ওদিক হেলায় তাদের কথা বিশ্বাসযোগ্য নয় । আর যাদের মাথা চওড়া, তাঁরা ভাগ্যবান ও বুদ্ধিমান হয়ে থাকে।
কোমর: যে সব ব্যক্তির কোমরের গঠন আবশ্যকতার চেয়ে চওড়া হয়, সেই সব ব্যক্তি স্বার্থপর এবং মতলববাজ হয়।
পিঠ: যাঁদের পিঠ খুব চওড়া তারা খুবই ধোঁকাবাজ হয় এবং সবসময় অপরের ক্ষতি কেমনে করা যায় তা নিয়ে মাথা ঘামান।
মেরুদন্ড: যে সব ব্যক্তির মেরুদণ্ড উপর নীচ এক সমান হয় তারা বেহায়া, লজ্জাহীন, প্রতারক ও ধূর্ত প্রকৃতির হোন।
পায়ের পিন্ডলী: পায়ের পিন্ডলী লম্বা হলে চালবাজ ও পরচর্চাকারী হয়ে থাকে।
কান: যাদের কান শরীরের তুলনায় খুব ছোট আকৃতির হয়, তারা মতলববাজ এবং সর্বদা নিজের হিত নিয়ে চিন্তা করে থাকেন। অপরের যতই ক্ষতি হোক, নিজের কিসে লাভ হবে সেই চেষ্টায় থাকেন । স্বাভাবিক কান যুক্ত ব্যক্তি উত্তম চরিত্রযুক্ত এবং বিশ্বাসী হয়।
নাক: টিয়াপাখি অথবা চিলের ঠোঁটের মতো নাকযুক্ত ব্যক্তি মতলববাজ, চিন্তাহীন, ভীরু এবং হিংসুক চরিত্রের হয়ে থাকেন।
ঠোঁট: মোটা, চওড়া, লাল অথবা কালো ঠোঁট যুক্ত ব্যক্তি হিংসুক, কুপথগামী, অসভ্য ও নীচ প্রকৃতির হয়ে থাকে। যদি ঠোঁটের ওপরের অংশ অল্প উন্নত হয় তাহলে সেই ব্যক্তি দাম্ভিক, হঠকারী, ছল-কপট প্রভৃতিতে খুব দক্ষ হয়।।
তাই এসব অবগুন যুক্ত মানুষ থেকে সাবধানে থাকাই বুদ্ধিমানেরকাজ।
সামুদ্রিক শাস্ত্রানুসার স্ত্রী চরিত্র নিরুপন;
কথায় বলে না, স্ত্রী লোকের মন বুঝা বড়ই দায় ! এরা এক মন্দিরে মানস করেন আর আরেক মন্দিরে মন্নত পূরণ করেন। তাই লোক কথায় বলা হয় মেয়ের মন ভগবানও বুজতে পারেন না । ভগবানের সৃষ্ট জীবের মধ্যে নারীই সবথেকে রহস্যময় । মেয়েদের যেমন মন সহজে বুঝা যায় না, ঠিক তেমনি মেয়েদের স্বভাব চরিত্রও সহজে বুঝা যায় না। একমাত্র সামুদ্রিক জ্যোতিষ বিদ্যার দ্ধারাই মহিলাদের স্বভাব চরিত্র সম্বন্ধে কিছু ধারণা করা যায়। তাহলে চলুন মেয়েদের চরিত্র সম্বন্ধে কিছুটা জেনে নেওয়া যাক;-
আকৃতি: বেঁটে আকৃতিযুক্ত স্ত্রীলোক চরিত্রহীন এবং লজ্জাহীন হয়ে থাকে। এরা কোন কিছু না ভেবে চিন্তে কথা বার্তা বলে থাকে এবং সহজেই অন্যের কথাতে এসে যায়। যে স্ত্রীলোক শোবার সময় চোখ খোলা রাখে, এমন স্ত্রীলোক কখনই স্বামীর আজ্ঞাকারী হয় না। যে সব স্ত্রীলোকের হাসার সময় গালে গর্ত হয় এবং চোখ বড় বড় করে তাকায়, তাদের কথার উপর কখনই বিশ্বাস করাটা ঠিক নয় ।
মুখ: ছোট মূখযুক্ত স্ত্রীলোক প্রায়ই দুঃখদায়ী হয়ে থাকে।
দাড়ি: গোঁফযুক্ত স্ত্রীলোক বেশি বদ স্বভাবের হয়ে থাকে।
চোখ: যেসব স্ত্রীলোকের চোখ শুকনো সে চরিত্রহীনা এবং ধোঁকাবাজ হয়ে থাকে। যেসব স্ত্রীলোক কথা বলতে সময় বা চলতে সময় বিনা কারণে শুধু এদিক ওদিকে থাকায় বা চোখের মনি এদিক থেকে ওদিকে ঘুরায় অথবা বার বার চোখের পাতা মারে এমন স্ত্রীলোক চরিত্রহীন হয়ে থাকে, এদের মনে সবসময় কামবাসনা জেগে থাকে, কোন পরপুরুষ দেখলেই এদের শরীরে উত্তেজনা উঠে যায়।
নাক: যে সব স্ত্রীলোকের নাকের ডগা লম্বা হয় তারা খুবই ঝগড়াটে হয় আর যাদের নাকের ভিতর চুল থাকে তারা কুকর্মী বা খারাফ চরিত্রের হয়।
গাল: যে স্ত্রীলোকের গালে আঙ্গুল দিলে গলে যায়, তাদের কথায় বিশ্বাস করা ঠিক নয় কারণ এমন স্ত্রীলোক ধোঁকাবাজ হয়। নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্য খুবই প্রেম ভালোবাসা দেখাবে কিন্তু স্বার্থ সিদ্ধি হতেই ভুলে যাবে।
দাঁত: যেসব স্ত্রী লোকের দাঁত চিরল চিরল হয় বা অসম থাকে এমন স্ত্রীলোক খুবই স্বার্থবাজ হয়ে থাকে সবসময় শুধু নিজের স্বার্থই দেখে থাকে। যেসকল স্ত্রীলোকের সামনের দাঁত বড় তারা খেতে খুব ভালবাসে।
ঠোঁট: কোন মেয়ের নিচের ঠোঁট উন্নত হলে সেই মেয়ে খুবই ঝগড়ালু হয়, এরা মানুষের সাথে সামান্য কারণ নিয়েই ঝগড়া বিবাদ করতে খুবই ভালোবাসে।
হাত: সাধারণ হাত যুক্ত স্ত্রীলোক কাজ কর্মে খুবই পারদর্শী হয়, শরীরের তুলনায় লম্বা হাত যুক্ত স্ত্রীলোক বিধবা হয়ে থাকে। আর যে সকল স্ত্রীলোকের হাতের মধ্যে কালো কেশ থাকে এমন স্ত্রীলোক খুবই কামুক হয় এবং এদের মধ্যে পুরুষালি ভাবও দেখতে পাওয়া যায়।
কোমর: মোটা এবং ছোট কোমরযুক্ত স্ত্রীলোক হতভাগী ও দাগাবাজ হয়ে থাকে। For Online astro solution: Call~ 9476907326 / 8472962928


0 टिप्पणियाँ