চিনা জাদুতে দূর্ভাগ্য জয় এবং ক্যারিয়ার গড়ার উপায়

জীবনে সফলতা লাভের জন্য ফেং-শ্যুই শাস্ত্রমতে প্রথমেই ঘরে সম্পদের প্রবেশ নিশ্চিত করতে হবে, কারণ অর্থ ছাড়া কিছুই হ‌য় না !
ফেং-শ্যুই শাস্ত্রমতে রাস্তায় দাঁড়িয়ে বাড়ির দিকে মূখ করলে ফ্রন্ট এবং সেন্টার দিকটাই হলো কোন বাড়ির সৌভাগ্য প্রবেশের দিক। তাই আর্থিক সৌভাগ্যের জন্য এই দিক গুলো সবসময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখুন।
*সদর দরজা দিয়ে ঘরে ঢোকার মূখেই মানি টোড উইণ্ড চাইম লাগিয়ে রাখুন, চিনাদের বিশ্বাস এই মানি উইণ্ড চাইম ঘরে ধন-সম্পদ-ঐশ্বর্য্য আসতে সাহায্য করে।
*সুখ-শান্তি ও সৌভাগ্যের জন্য গৃহের ভিতর দরজা বা জানালার উল্টোদিকে লাফিং বুদ্ধ স্থাপন করুন, এর ফলে জীবন সূখ-সমৃদ্ধিতে ভরে উঠবে।
*তিন পাওয়ালা ব্যাঙ আপনার ভাগ্য বদলে দিতে পারে, গৃহে সৌভাগ্য বৃদ্ধির জন্য ঘরের ভিতরের দিকে মূখ করে সদর দরজার পাশে রাখুন একটি ধাতবের তিন পাওয়ালা ব্যাঙ দূর্ভাগ্য বদলে দেবে।
*সদর দরজার সামনে রংচঙে পাপোশ পাতুন, এটি সৌভাগ্য নিয়ে আনবে।
*ঘরের ভিতরের দেওয়াল কখনই খালি রাখবেন না তাতে দূর্ভাগ্য ঘরে প্রবেশ করে। ঘরের দেওয়াল গুলোতে আর না হলেও একটা সুন্দর ছবি বা ক্যালেণ্ডার লাগান।
*বসন্তকালে একবার নিজের বাড়ি পরিষ্কার করুন এবং বাড়িতে লাগানো সব ঘড়ি গুলোর টাইম যেন এক থাকে সেদিকে লক্ষ রাখবেন।
*ফেং-শ্যুই শাস্ত্রানুসার ঐশ্বর্য্যের রং হলো নীল, লাল ও বেগুনী তাই ঘরে এইসব রং খুবই ব্যবহার করুন।
সফল ক্যারিয়ার গড়ার চাবিকাঠি:
সফল ক্যারিয়ার গড়ার জন্য প্রতিটি বিদ্যার্থীকেই পড়াশুনাতে খুবই নিপুন হতে হবে। এইজন্য কিছু ফেং-শুই টিপস দেওয়া হলো।
#পড়ার ঘরের উত্তর দিকে ঝোলান ছয় রডের ধাতব উইণ্ড চাইম। উইণ্ড চাইমের রডগুলো ধাতুর তৈরী এবং সোজা হতে হবে। হাওয়ার দোলায় উইণ্ড চাইম থেকে আসা টুং-টাং আওয়াজ পড়ায় মনোযোগিতা বৃদ্ধি করবে।
#বিদ্যার্থীদের পড়াশুনায় মন বসাতে ক্রিস্ট্যাল গ্লোবের জুড়ি মেলা ভার, তাই পড়ার টেবিলের ঈশাণ কোণে রাখুন একটি ক্রিস্ট্যাল গ্লোব এবং প্রতিদিন পড়তে বসার সময় প্রথমেই তিনবার হাত দিয়ে এই গ্লোবটিকে ঘুরিয়ে নিন, তাতে বিদ্যার্থীদের আত্মবিশ্বাস ও মানসিক একাগ্রতা বাড়বে।
#পড়ার টেবিলের সামনের দিকে দেওয়ালে চাইনিজ স্ক্রল অফ সাকসেস (দেখতে অনেকটা আদি বাংলার পটচিত্রের মতো)এর একটি চিত্র টাঙিয়ে রাখুন। এতে তিনটি মাচের ছবি থাকে, এই তিনটি মাচ হলো জ্ঞান, অভিজ্ঞতা এবং ইচ্ছার পরিচায়ক। ফেং-শ্যুই মতে এই চিত্রটি টাঙালে বিদ্যার্থীরা নাকি ঝটপট পড়া মূখস্ত করতে পারে।
#পরীক্ষার পড়া তৈরী করার সময় এবং পরীক্ষা চলাকালীন নিজের কাছে বটল অফ গোল্ত রাখুন এটা সোনালী চাকতিতে ভরা ছোট্ট একটা বোতল। এর ফলে মন:সংযোগ বৃদ্ধি পাবে এবং পরীক্ষা দিতে সময় কোন অসুবিধে হবে না।
#পড়ার টেবিলের উল্টোদিকে কোন আয়না রাখবেন না তাতে মনোসংযোগ নষ্ট হয়।
#ফেং-শ্যুই শাস্ত্রানুসার কেরিয়ারের রং হলো কালো, নীল ও খয়েরী তাই বিদ্যার্থীরা এসব রং খুবই ব্যবহার করুন।

एक टिप्पणी भेजें

0 टिप्पणियाँ