হিন্দু ধর্মশাস্ত্রনুসার প্রতিপদে
কুষ্মাণ্ড, দ্বিতীয়ায় ছোট বার্ত্তাকু, তৃতীয়াতে পটোল, চতুর্থীতে মূলক, পঞ্চমীতে বিল্ব, ষষ্ঠিতে নিম্ব, সপ্তমীতে তাল, অষ্টমমীতে নারিকেল, নবমীতে অলাবু, দশমীতে কলম্বী, একাদশীতে শিম, দ্বাদশীতে পূতিকা, ত্রয়োদশীতে মাষকলায়, অমবস্যা বা পূর্ণমা তিথিতে মৎস্য-মাংস ভোজন নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
তার কারণ ধর্মের ভণ্ডামী নয় মানুষের স্বাস্থ্যরক্ষার জন্যই এই নিয়মগুলো শাস্ত্রে নির্দেশিত করা হয়েছে । এই জন্যই হিন্দুধর্ম এত মহান।
ধর্ম আচারের অনুগত। মানব সদাচার পরায়ণ হইলে পবিত্রতা, বলবৃদ্ধি ও ধর্মলাভ হইয়া থাকে। ব্রাম্মমুহর্ত্তে শয়্যাত্যাগ, প্রাত:কৃত্য সমাপন, স্নান দেবার্চ্চন পবিত্র ভোজন এইগুলি সকল ধর্মাচারই মানবের সুস্থ নীরোগ ও ভালো থাকার জন্যই মুনি সাধু সন্যাসীরা নির্দেশ করে গিয়েছেন।
বর্ত্তমান দূনিয়াতেও অনেকই নীরোগ ও দীর্ঘজীবী দেখতে পাওয়া যায় তার প্রধান কারণ হলো সদাচার ও পবিত্র ভোজন করা । অপথ্য কু খাদ্য, নীশা বস্তু যারা গ্রহন করে তারাই সবথেকে রোগাক্রান্ত হয়ে দিনাদিপাত করে থাকে এবং এরা সচরাচর অল্পায়ূ বিশিষ্ট হয়ে থাকে।
এর থেকে এই কথাই জোর দিয়া বলা যায় যে আচারবিহীনতা ও ধর্ম্ম পরিত্যাগই রোগ-শোক ও দূ:খের মূল কারণ অতএব ধর্ম্ম নির্দেশিত পথে এগোন এবং তাহাই হবে সবথেকে মঙ্গলকর।
তার কারণ ধর্মের ভণ্ডামী নয় মানুষের স্বাস্থ্যরক্ষার জন্যই এই নিয়মগুলো শাস্ত্রে নির্দেশিত করা হয়েছে । এই জন্যই হিন্দুধর্ম এত মহান।
ধর্ম আচারের অনুগত। মানব সদাচার পরায়ণ হইলে পবিত্রতা, বলবৃদ্ধি ও ধর্মলাভ হইয়া থাকে। ব্রাম্মমুহর্ত্তে শয়্যাত্যাগ, প্রাত:কৃত্য সমাপন, স্নান দেবার্চ্চন পবিত্র ভোজন এইগুলি সকল ধর্মাচারই মানবের সুস্থ নীরোগ ও ভালো থাকার জন্যই মুনি সাধু সন্যাসীরা নির্দেশ করে গিয়েছেন।
বর্ত্তমান দূনিয়াতেও অনেকই নীরোগ ও দীর্ঘজীবী দেখতে পাওয়া যায় তার প্রধান কারণ হলো সদাচার ও পবিত্র ভোজন করা । অপথ্য কু খাদ্য, নীশা বস্তু যারা গ্রহন করে তারাই সবথেকে রোগাক্রান্ত হয়ে দিনাদিপাত করে থাকে এবং এরা সচরাচর অল্পায়ূ বিশিষ্ট হয়ে থাকে।
এর থেকে এই কথাই জোর দিয়া বলা যায় যে আচারবিহীনতা ও ধর্ম্ম পরিত্যাগই রোগ-শোক ও দূ:খের মূল কারণ অতএব ধর্ম্ম নির্দেশিত পথে এগোন এবং তাহাই হবে সবথেকে মঙ্গলকর।
