আজকের এই পোস্ট
টি ঘর মালিকদের একটু তেঁতো লাগতে পারে, তবে বাকিরা
অর্থাৎ ভাড়াটিয়া রা অবশ্যই পড়ুন:-
🖋অনেকে এরকম ভাবেন "আরে ঘরটা তো আর আমাদের নয় এটা তো মালিকের বাস্তু দোষ থাকলে মালিকের লোকসান হবে আমাদের কী ??? "
আসলে তা নয় ঘরে বাস্তু দোষ থাকলে কিংবা ঘর
বাস্তুনুকূল না হলে যে ঘর বানিয়েছে তাঁর কোন কিছু যায় আসে না , বাস্তু দোষে পীড়িত ঘরে যে বা যাঁরা থাকে কেবলমাত্র তাঁদের ই সারা লোকসান হয়।🖋অনেকে এরকম ভাবেন "আরে ঘরটা তো আর আমাদের নয় এটা তো মালিকের বাস্তু দোষ থাকলে মালিকের লোকসান হবে আমাদের কী ??? "
কিন্তু একথাটি আজকালকার শিক্ষিত মূর্খরা বুঝেন না বা এটা বলতে পারেন এইসব গন্ডমুর্খরা জানেন না । লেখা পড়া না জানা লোকেরা যদি না বুজেন তা স্বাভাবিক বিষয় ... কিন্তু লেখা পড়ায় শিক্ষিত গরুরা যদি এই সামান্য জিনিস বুজতে না পারেন তাতে সত্যিই অবাক হতে হয় ।
ঘরটি আপনার নিজের হোক কিংবা অন্যের ঘরটিতে আপনি ভাড়াটিয়া হিসেবে থাকুন আর অতিথি হিসেবেই থাকুন না কেন এই ঘরে আপনি যতদিন বা যতক্ষন থাকবেন তাঁর কূফল আপনাকেই পেতে হবে ।
বাস্তু দোষ যুক্ত ঘরে থাকলে পরিবারে একের পর এক অশান্তি ঝামেলা , অভাব অনটন , রোগ ব্যাধি লেগেই থাকবে ।
এ ক্ষেত্রে সব থেকে বুদ্ধিমানের কাজ হলো যথা শীগ্র ঘরটি ছেড়ে দেওয়া অথবা ঘর মালিকের সাথে মিলে ঘরটির সংস্কার করা আর যদি তা সম্ভব না হয় তাহলে আপনার রুমে বাস্তু যন্ত্র স্থাপন করুন তখনই একমাত্র রক্ষা হতে পারে।
🖋বাস্তু শাস্ত্র অনুসারে মানুষের ভাগ্যের ভালোমন্দ 30% বস্তুর উপর নির্ভর করে , অতএব মানব জীবনে বাস্তুর প্রভাব কখনই কোন ভাবেই অস্বীকার করা যায় না।
বাস্তুদোষ
শান্তির জন্য কিছু উপায়:
যাঁদের ঘরে বাস্তুদোষ আছে, বাস্তুদোষের জন্য যাঁদের গৃহে সবসময় কোন না কোন অশান্তি লেগেই থাকে, ঘরের সদস্যরা কাজকর্মে বাধা পাচ্ছেন, বিবাহে বার বার বাধা আসছে, দূরারোগ্য ব্যধির কবলে পড়ছেন, সমাজিক প্রতিষ্ঠা মান সম্মান ধুলিস্যাৎ হচ্ছে, পরিবারে কারো সাথে কারো ভালো সম্পর্ক নেই, কর্জ-দারিদ্রতা আপনাকে গ্রাস করে নিচ্ছে তাহলে এই পোস্ট টা ২-৩ বার ভালো করে পড়ুন আর হ্যাঁ এই পোষ্টটি শেয়ার করতে ভুলবেন না । কারণ ভালো কিছু শেয়ার করলে নিজেরই ভালো হয়। আর আমার শ্রম সার্থক হলো বলে ভাববো।
বাস্তু শাস্ত্রের অনেক প্রাচীন পুথিঁ অধ্যয়ন করে যেটুকু উদ্ধার করেছি তাঁর থেকে কিছু উদ্ধৃত অংশ আজ উল্লেখ করছি যাতে একদম সাধারণ থেকে সাধারণ লোকও অতি সহজেই কোন ভুতুরে বাস্তুবিদদের সাহায্য ছাড়াই নিজের ঘরের বাস্তু দোষ নিবারণ করতে পারে এই জন্য আজকের এই পোষ্ট।
এমনিতে তো বাস্তুবিদ জ্যোতিষের কোন অভাব নেই অলীগলীতে অনেকই আছেন এক থেকে এক বড়ো, নামের সাথে আড়াই থেকে তিন হাত লম্বা তাদের ডিগ্রীর তালিকা দেওয়া থাকে, যা দেখে সাধারণ মানুষ তাদের খপ্পরে পড়ে গিয়ে অতি সহজেই ঠকে যান। ঘরের এদিক ভঙ্গতে হবে ওদিক ভাঙ্গতে হবে, এইদিকে একটু অদলবদল করতে হবে ঘরের ভিতরকার রং পাল্টাতে হবে, এই করতে হবে সেই করতে হবে... এইরকম যার যেমন ইচ্ছা একটা বড় অংকের লিষ্ট ধরিয়ে দিয়ে দেন, তাতে ইচ্ছা না থাকা সত্ত্বেও স্বাদের ঘরে ভাঙ্গচুর চালাতে হয় জ্যোতিষীর কথা রাখতে গিয়ে ঘরের মনমতো রং ও পাল্টে ফেলতে হয় আর তারপরও যখন কোন কাজের কাজ কিছুই হয় না তখন নিজেকে আরও অসহায় মনে হয় ।
তাই আমি এই পোষ্টে অতি সহজ ও সরল ভাবে ঘরের কীভাবে বাস্তুদোষ দূর করতে হয় তাই উল্লেখ করছি, তাতে আপনার ঘরের কোন অংশ না ভাঙ্গতে হবে না। আর না লাখ টাকা খরছ করতে লাগবে, অতি সহজেই ঘর থেকে বাস্তুদোষ দূর হয়ে যাবে।
১)ঘরের প্রধান দরজার চৌকাঠের উপর প্রাণপ্রতিষ্ঠিত স্বস্তিক যন্ত্র স্থাপন করুন অথবা কুমকুম, কীমিয়া সিদুঁর ও খাঁটি সরষের তেল মিশিয়ে স্বস্তিক যন্ত্র আঁকুন। ভালো হয় যদি সামান্য টাকা খরছ করে যদি স্বস্তিক যন্ত্র নিয়ে এসে কওন শুভ মুহুর্ত দেখে স্থাপন করতে পারেন।
২)গৃহকর্ত্তা প্রতিদিন স্নান করে গৃহে এসে ৩বার ওঁকার ধ্বনি দিবেন । ঘরের ভিতর অন্ধকার রাখবেন না সবসময় একটা বাল্ব জ্বালিয়ে রাখুন অথবা ঘরের দরজা জানালা দিনের বেলা খোলে রাখবেন।
৩)ঘরের ভিতরে কোন ভাঙ্গা বা নষ্ট মেশিনারী যন্ত্রপাতি রাখবেন না। কোন মৃত মানুষের ছবি ঘরের দরজার উপর রাখবেন না এবং ঘরের পুরুষ সদস্যরা খোঁচা খোঁচা দাড়ি রাখবেন না তা নির্ধনতার প্রতীক।
৪)দরজা বা জানালা খোলার সময় অযথা বিকট শব্দ সৃষ্টি করবেন না, জুতো-চপ্পল ও ঝাড়ু ঘরের ভিতরে ইতস্তত্: ছড়িয়ে রাখবেন না, রান্নাঘরে কখনই এঁটো বাসন রাত্রে রাখবেন না তাতে পরাশক্তির প্রবেশ ঘটে।
৫)ধোয়া কাপড় ও নোংরা কাপড় কখনও একসাথে রাখবেন না। প্রত্যহ ঘর নুন জলে পরিষ্কার করুন। ঘরের পবিত্রতা বজায় রাখার জন্য সপ্তাহে অন্তত একবার অল্প গোমুত্র নিয়ে তাতে সামান্য পরিমান কর্পুর, হিং, বায়বিড়ঙ্গ চুর্ণ, অগুরু,সর্ব্বমহৌষধি চূর্ণ ও খানিকটা গঙ্গাজল মিশিয়ে ঘরের প্রতিটি রুমে ছিটিয়ে দিতে পারেন।
৬)বৎসরে অন্তত একবার ঘরের সকল সদস্যদের সমপরিমান অর্থের দ্ধারা অমবস্যার দিন দই,চাল ও একটা নারকেল কিনে এনে উপরোক্ত সামগ্রী গৃহকর্ত্তা প্রতিটি প্রতিটি ঘরে ঘুরিয়ে কোন চৌরাস্তায় ফেলে দিবেন।
৭)গৃহের আর্থিক শ্রীবৃদ্ধির জন্য প্রধানগৃহে অথবা পুজোস্থানে শ্রীযন্ত্র স্থাপন করুন। ভক্তিভরে শ্রীযন্ত্র স্থাপনে গৃহের আর্থিক অভাব অনটন দূর হয় এবং ঘরের সকল আর্থিক শ্রীবৃদ্ধি ঘটে ।
৮)প্রতিবৎসর কোন শুভ দিন দেখে কোন পার্ব্বন উপলক্ষ্যে বেদজ্ঞ ব্রাম্মনকে ভোজন করান এবং দক্ষিণা ও বস্ত্র দান দিন। কোন গোশালায় সাধ্যমতো আর্থিক অনুদান দিন । রাস্তার কুকুর, বিড়াল, পাখি, পিপড়ে ও সাপকে খাওয়ান ।
৯)আপনার গৃহে কোনদিন অভাব অনটন যাতে না আসে এজন্য আহারের সময় থালা থেকে আহারের পূর্বে খানিকটা অন্ন এবং আহারের পর খানিকটা অন্ন ছেড়ে দিবেন । যাঁরা কুকুরের থালা চেটে ভাত খায়, তারাই একদিন একটুখানি খাবারের জন্য কুকুরের মতো ঘুরিয়া বেড়ায়।
৮)কখনো কারো কাছে দেওনাদার হয়ে থাকবেন না, ধার নিয়ে আসা টাকা সুদ সহ ফিরিয়ে দিন। বেডরুমে জল এবং দা, কুড়োল, ছুরি প্রভৃতি ধারালো জিনিষ রাখবেন না ।
৯)ঘরের সকল সদস্যদের মঙ্গলের জন্য প্রতিদিন রামরক্ষা স্রোত্র পাঠ করতে পারেন অথবা হনুমান চালিসা পাঠ করুন, যে ঘরে হনুমান চালীসা নিত্য পাঠ হয় সেই গৃহে ভুত-প্রেত, বাস্তু দোষ কখনই থাকতে পারে না।
১০)গৃহে আগত কোন আতিথির কখনো অনাদর করবেন না, কোন না কোন কিছু অবশ্যই খাওয়াইয়া বিদায় করবেনন।
১১)পরিবারের কর্ত্তা দক্ষিন দিকের ঘরে ঘুমোন এবং ঘরের ব্রম্মস্থান সর্বদা মুক্ত রাখুন। ঘরের দেওয়ালের কোন অংশ ফাটা বা চিড়চিড়ে থাকলে তা অবশ্যই মেরামত করিয়ে নিন।
১২)গৃহে বাস্তু শান্তি কবচ ও বাস্তুশান্তি যন্ত্র স্থাপন করুন দেখবেন গৃহের সকল বাস্তু দোষই কেটে যাবে।
যাঁদের ঘরে বাস্তুদোষ আছে, বাস্তুদোষের জন্য যাঁদের গৃহে সবসময় কোন না কোন অশান্তি লেগেই থাকে, ঘরের সদস্যরা কাজকর্মে বাধা পাচ্ছেন, বিবাহে বার বার বাধা আসছে, দূরারোগ্য ব্যধির কবলে পড়ছেন, সমাজিক প্রতিষ্ঠা মান সম্মান ধুলিস্যাৎ হচ্ছে, পরিবারে কারো সাথে কারো ভালো সম্পর্ক নেই, কর্জ-দারিদ্রতা আপনাকে গ্রাস করে নিচ্ছে তাহলে এই পোস্ট টা ২-৩ বার ভালো করে পড়ুন আর হ্যাঁ এই পোষ্টটি শেয়ার করতে ভুলবেন না । কারণ ভালো কিছু শেয়ার করলে নিজেরই ভালো হয়। আর আমার শ্রম সার্থক হলো বলে ভাববো।
বাস্তু শাস্ত্রের অনেক প্রাচীন পুথিঁ অধ্যয়ন করে যেটুকু উদ্ধার করেছি তাঁর থেকে কিছু উদ্ধৃত অংশ আজ উল্লেখ করছি যাতে একদম সাধারণ থেকে সাধারণ লোকও অতি সহজেই কোন ভুতুরে বাস্তুবিদদের সাহায্য ছাড়াই নিজের ঘরের বাস্তু দোষ নিবারণ করতে পারে এই জন্য আজকের এই পোষ্ট।
এমনিতে তো বাস্তুবিদ জ্যোতিষের কোন অভাব নেই অলীগলীতে অনেকই আছেন এক থেকে এক বড়ো, নামের সাথে আড়াই থেকে তিন হাত লম্বা তাদের ডিগ্রীর তালিকা দেওয়া থাকে, যা দেখে সাধারণ মানুষ তাদের খপ্পরে পড়ে গিয়ে অতি সহজেই ঠকে যান। ঘরের এদিক ভঙ্গতে হবে ওদিক ভাঙ্গতে হবে, এইদিকে একটু অদলবদল করতে হবে ঘরের ভিতরকার রং পাল্টাতে হবে, এই করতে হবে সেই করতে হবে... এইরকম যার যেমন ইচ্ছা একটা বড় অংকের লিষ্ট ধরিয়ে দিয়ে দেন, তাতে ইচ্ছা না থাকা সত্ত্বেও স্বাদের ঘরে ভাঙ্গচুর চালাতে হয় জ্যোতিষীর কথা রাখতে গিয়ে ঘরের মনমতো রং ও পাল্টে ফেলতে হয় আর তারপরও যখন কোন কাজের কাজ কিছুই হয় না তখন নিজেকে আরও অসহায় মনে হয় ।
তাই আমি এই পোষ্টে অতি সহজ ও সরল ভাবে ঘরের কীভাবে বাস্তুদোষ দূর করতে হয় তাই উল্লেখ করছি, তাতে আপনার ঘরের কোন অংশ না ভাঙ্গতে হবে না। আর না লাখ টাকা খরছ করতে লাগবে, অতি সহজেই ঘর থেকে বাস্তুদোষ দূর হয়ে যাবে।
১)ঘরের প্রধান দরজার চৌকাঠের উপর প্রাণপ্রতিষ্ঠিত স্বস্তিক যন্ত্র স্থাপন করুন অথবা কুমকুম, কীমিয়া সিদুঁর ও খাঁটি সরষের তেল মিশিয়ে স্বস্তিক যন্ত্র আঁকুন। ভালো হয় যদি সামান্য টাকা খরছ করে যদি স্বস্তিক যন্ত্র নিয়ে এসে কওন শুভ মুহুর্ত দেখে স্থাপন করতে পারেন।
২)গৃহকর্ত্তা প্রতিদিন স্নান করে গৃহে এসে ৩বার ওঁকার ধ্বনি দিবেন । ঘরের ভিতর অন্ধকার রাখবেন না সবসময় একটা বাল্ব জ্বালিয়ে রাখুন অথবা ঘরের দরজা জানালা দিনের বেলা খোলে রাখবেন।
৩)ঘরের ভিতরে কোন ভাঙ্গা বা নষ্ট মেশিনারী যন্ত্রপাতি রাখবেন না। কোন মৃত মানুষের ছবি ঘরের দরজার উপর রাখবেন না এবং ঘরের পুরুষ সদস্যরা খোঁচা খোঁচা দাড়ি রাখবেন না তা নির্ধনতার প্রতীক।
৪)দরজা বা জানালা খোলার সময় অযথা বিকট শব্দ সৃষ্টি করবেন না, জুতো-চপ্পল ও ঝাড়ু ঘরের ভিতরে ইতস্তত্: ছড়িয়ে রাখবেন না, রান্নাঘরে কখনই এঁটো বাসন রাত্রে রাখবেন না তাতে পরাশক্তির প্রবেশ ঘটে।
৫)ধোয়া কাপড় ও নোংরা কাপড় কখনও একসাথে রাখবেন না। প্রত্যহ ঘর নুন জলে পরিষ্কার করুন। ঘরের পবিত্রতা বজায় রাখার জন্য সপ্তাহে অন্তত একবার অল্প গোমুত্র নিয়ে তাতে সামান্য পরিমান কর্পুর, হিং, বায়বিড়ঙ্গ চুর্ণ, অগুরু,সর্ব্বমহৌষধি চূর্ণ ও খানিকটা গঙ্গাজল মিশিয়ে ঘরের প্রতিটি রুমে ছিটিয়ে দিতে পারেন।
৬)বৎসরে অন্তত একবার ঘরের সকল সদস্যদের সমপরিমান অর্থের দ্ধারা অমবস্যার দিন দই,চাল ও একটা নারকেল কিনে এনে উপরোক্ত সামগ্রী গৃহকর্ত্তা প্রতিটি প্রতিটি ঘরে ঘুরিয়ে কোন চৌরাস্তায় ফেলে দিবেন।
৭)গৃহের আর্থিক শ্রীবৃদ্ধির জন্য প্রধানগৃহে অথবা পুজোস্থানে শ্রীযন্ত্র স্থাপন করুন। ভক্তিভরে শ্রীযন্ত্র স্থাপনে গৃহের আর্থিক অভাব অনটন দূর হয় এবং ঘরের সকল আর্থিক শ্রীবৃদ্ধি ঘটে ।
৮)প্রতিবৎসর কোন শুভ দিন দেখে কোন পার্ব্বন উপলক্ষ্যে বেদজ্ঞ ব্রাম্মনকে ভোজন করান এবং দক্ষিণা ও বস্ত্র দান দিন। কোন গোশালায় সাধ্যমতো আর্থিক অনুদান দিন । রাস্তার কুকুর, বিড়াল, পাখি, পিপড়ে ও সাপকে খাওয়ান ।
৯)আপনার গৃহে কোনদিন অভাব অনটন যাতে না আসে এজন্য আহারের সময় থালা থেকে আহারের পূর্বে খানিকটা অন্ন এবং আহারের পর খানিকটা অন্ন ছেড়ে দিবেন । যাঁরা কুকুরের থালা চেটে ভাত খায়, তারাই একদিন একটুখানি খাবারের জন্য কুকুরের মতো ঘুরিয়া বেড়ায়।
৮)কখনো কারো কাছে দেওনাদার হয়ে থাকবেন না, ধার নিয়ে আসা টাকা সুদ সহ ফিরিয়ে দিন। বেডরুমে জল এবং দা, কুড়োল, ছুরি প্রভৃতি ধারালো জিনিষ রাখবেন না ।
৯)ঘরের সকল সদস্যদের মঙ্গলের জন্য প্রতিদিন রামরক্ষা স্রোত্র পাঠ করতে পারেন অথবা হনুমান চালিসা পাঠ করুন, যে ঘরে হনুমান চালীসা নিত্য পাঠ হয় সেই গৃহে ভুত-প্রেত, বাস্তু দোষ কখনই থাকতে পারে না।
১০)গৃহে আগত কোন আতিথির কখনো অনাদর করবেন না, কোন না কোন কিছু অবশ্যই খাওয়াইয়া বিদায় করবেনন।
১১)পরিবারের কর্ত্তা দক্ষিন দিকের ঘরে ঘুমোন এবং ঘরের ব্রম্মস্থান সর্বদা মুক্ত রাখুন। ঘরের দেওয়ালের কোন অংশ ফাটা বা চিড়চিড়ে থাকলে তা অবশ্যই মেরামত করিয়ে নিন।
১২)গৃহে বাস্তু শান্তি কবচ ও বাস্তুশান্তি যন্ত্র স্থাপন করুন দেখবেন গৃহের সকল বাস্তু দোষই কেটে যাবে।
বাস্তু সম্বন্ধিত বিশেষ পরামর্শের জন্য সম্পর্ক করুন:-
9476907326 / 8472962928 নম্বরে (দক্ষিণা ২৫০্/- টাকা মাত্র।)
9476907326 / 8472962928 নম্বরে (দক্ষিণা ২৫০্/- টাকা মাত্র।)
