রুদ্রাক্ষ দ্ধারা কিছু বিশেষ তান্ত্রিক প্রয়োগ:
💥পোস্ট টি ভালো করে পড়ুন হয়তো আপনার কাজে লাগতে পারে
❇দ্বিমুখী রুদ্রাক্ষের মালা গলায় ধারণ করলে বুধ গ্রহের কুপ্রভাব থেকে উৎপন্ন রক্তচাপ অর্থাৎ Blod Presure রোগে শীগ্র উপকার পাওয়া যায়।
❇রবি গ্রহের অশুভ প্রভাব থেকে উৎপন্ন যেকোন রোগে পাঁচমুখী রুদ্রাক্ষ কে উত্তরসারা নক্ষত্রে গোলাপী রংয়ের সুতায় গ্রন্থি দিয়ে গলায় ধারণ করলে বিশেষ হিতকারী হয়ে থাকে, চক্ষু রোগেও দারুন কাজ দেয়।
❇রবি পুষয়া যোগে আমলকির আকার বিশিষ্ট পাঁচমুখী রুদ্রাক্ষ গোলাপী রঙের সুতার দ্ধারা গ্রন্থি দিয়ে গলায় ধারণ করলে সর্বপ্রকার হৃদরোগ নিরাময় হয়।
❇যেদিন কীর্তিকা নক্ষত্র হবে সেদিন অথবা কোন রবিবার দিন পঞ্চমুখি রুদরাক্ষকে তামার কলসিতে জল ভর্তি করে ভিজিয়ে রাখুন এবং পরের দিন থেকে প্রত্যহ জল পান করলে পুরানো হৃদরোগে দারুন ফল পাবেন।
❇ছয়মুখী রুদ্রাক্ষকে সবুজ সুতোয় গ্রন্থি দিয়ে গলায় ধারণ করলে অল্প কিছুদিনের মধ্যেই হাঁপানি রোগে আরাম হয়।
❇মৃগশিরা নক্ষত্রে যে কোন মঙ্গলবার দিন আটমুখী রুদ্রাক্ষ লাল সুতোর দ্ধারা ডান হাতে ধারণ করলে মঙ্গল গ্রহের কু প্রভাব থেকে উৎপন্ন লিভারের যে কোন রোগে ভালো ফল পাওয়া যায়।
❇এগারো মুখী রুদ্রাক্ষ কে সাদা সুতোয় গেঁথে গলায় ঝুলিয়ে রাখলে ধনুষ্টাঙ্কর রোগে উপকার পাওয়া যায়।
❇চৌদ্দমুখী রুদরাক্ষকে জলে ভিজিয়ে সেই জল কোন রোগীকে খাওয়ালে জিভ শুকনো, মাথা ঘোরানো, গলা শুকনো হওয়া প্রভৃতি দূর হয়।
❇বসন্তের দাহ বা জ্বালা কম করার জন্য দ্বিমুখী রুদ্রাক্ষ নিয়ে গরুর দুধের সাথে পাথরে ঘষে প্রত্যহ খালি পেটে খাওয়ালে উপকার হয়।
💥পোস্ট টি ভালো করে পড়ুন হয়তো আপনার কাজে লাগতে পারে
❇দ্বিমুখী রুদ্রাক্ষের মালা গলায় ধারণ করলে বুধ গ্রহের কুপ্রভাব থেকে উৎপন্ন রক্তচাপ অর্থাৎ Blod Presure রোগে শীগ্র উপকার পাওয়া যায়।
❇রবি গ্রহের অশুভ প্রভাব থেকে উৎপন্ন যেকোন রোগে পাঁচমুখী রুদ্রাক্ষ কে উত্তরসারা নক্ষত্রে গোলাপী রংয়ের সুতায় গ্রন্থি দিয়ে গলায় ধারণ করলে বিশেষ হিতকারী হয়ে থাকে, চক্ষু রোগেও দারুন কাজ দেয়।
❇রবি পুষয়া যোগে আমলকির আকার বিশিষ্ট পাঁচমুখী রুদ্রাক্ষ গোলাপী রঙের সুতার দ্ধারা গ্রন্থি দিয়ে গলায় ধারণ করলে সর্বপ্রকার হৃদরোগ নিরাময় হয়।
❇যেদিন কীর্তিকা নক্ষত্র হবে সেদিন অথবা কোন রবিবার দিন পঞ্চমুখি রুদরাক্ষকে তামার কলসিতে জল ভর্তি করে ভিজিয়ে রাখুন এবং পরের দিন থেকে প্রত্যহ জল পান করলে পুরানো হৃদরোগে দারুন ফল পাবেন।
❇ছয়মুখী রুদ্রাক্ষকে সবুজ সুতোয় গ্রন্থি দিয়ে গলায় ধারণ করলে অল্প কিছুদিনের মধ্যেই হাঁপানি রোগে আরাম হয়।
❇মৃগশিরা নক্ষত্রে যে কোন মঙ্গলবার দিন আটমুখী রুদ্রাক্ষ লাল সুতোর দ্ধারা ডান হাতে ধারণ করলে মঙ্গল গ্রহের কু প্রভাব থেকে উৎপন্ন লিভারের যে কোন রোগে ভালো ফল পাওয়া যায়।
❇এগারো মুখী রুদ্রাক্ষ কে সাদা সুতোয় গেঁথে গলায় ঝুলিয়ে রাখলে ধনুষ্টাঙ্কর রোগে উপকার পাওয়া যায়।
❇চৌদ্দমুখী রুদরাক্ষকে জলে ভিজিয়ে সেই জল কোন রোগীকে খাওয়ালে জিভ শুকনো, মাথা ঘোরানো, গলা শুকনো হওয়া প্রভৃতি দূর হয়।
❇বসন্তের দাহ বা জ্বালা কম করার জন্য দ্বিমুখী রুদ্রাক্ষ নিয়ে গরুর দুধের সাথে পাথরে ঘষে প্রত্যহ খালি পেটে খাওয়ালে উপকার হয়।
রুদ্রাক্ষ ধারণ ধর্ম, অর্থ, কাম ও মোক্ষ দায়ক। রুদ্রাক্ষ ধারনে যেমন কাম শক্তির বৃদ্ধি হয় তেমনি মরণান্তর
মোক্ষ প্রাপ্তি হয়ে থাকে, রুদ্রাক্ষ ধারণে দারিদ্রতা দূর হয়, ব্যবসায় সফলতা লাভ করা যায় তেমনি ধর্ম কর্মের দিকেও মতি আসে। মনে আত্মবিশ্বাস
বাড়ে স্মরণ শক্তি বৃদ্ধি পায় এজন্য বিদ্যার্থীরা রুদ্রাক্ষ ধারণ করে বিদ্যা
ক্ষেত্রে আশাতীত ফললাভ করতে পারেন।
ভ্রমবশত: কিছু অজ্ঞানী লোক মনে করেন রুদ্রাক্ষ শুধুমাত্র সাধু সন্ন্যাসীরা ধারণ করার জন্য অন্য কেউ ধারন করাটা ঠিক নয়, এটি তাঁদের মহাভ্রম।
রুদ্রাক্ষ যে কেউ ধারণ করতে পারে, যে কোন জাতির যে কোন বর্ণের নরনারী নির্বিশেষে যে কেউ ধারণ করতে পারে।
গ্রহ দোষ থেকে মুক্তির জন্য, ভূত প্রেত ভয় নিবারনের জন্য নিজের কোন মনোকামনা পূর্তির জন্য বিশেষ মূহর্তে শাস্ত্রনুযায়ী রুদরাক্ষকে শোধন করিয়ে নিয়ে গলায় বা হাতে ধারণ করতে হয়।
সংসারের অনেক প্রকার ভৌতিক দুঃখে সন্তপ্ত মানুষদের জন্য রুদ্রাক্ষকে শিবের বরদান বলা যায়। রুদ্রাক্ষ ধারনে মানবের অশেষ কল্যাণ সাধন হয়ে থাকে। এই জন্য নিজের ইষ্ট সিদ্ধির জন্য ও অশুভ গ্রহের পীড়া থেকে মুক্তির জন্য রুদ্রাক্ষ ধারণ করুন ফল অবশ্যই পাবেন।।
ভ্রমবশত: কিছু অজ্ঞানী লোক মনে করেন রুদ্রাক্ষ শুধুমাত্র সাধু সন্ন্যাসীরা ধারণ করার জন্য অন্য কেউ ধারন করাটা ঠিক নয়, এটি তাঁদের মহাভ্রম।
রুদ্রাক্ষ যে কেউ ধারণ করতে পারে, যে কোন জাতির যে কোন বর্ণের নরনারী নির্বিশেষে যে কেউ ধারণ করতে পারে।
গ্রহ দোষ থেকে মুক্তির জন্য, ভূত প্রেত ভয় নিবারনের জন্য নিজের কোন মনোকামনা পূর্তির জন্য বিশেষ মূহর্তে শাস্ত্রনুযায়ী রুদরাক্ষকে শোধন করিয়ে নিয়ে গলায় বা হাতে ধারণ করতে হয়।
সংসারের অনেক প্রকার ভৌতিক দুঃখে সন্তপ্ত মানুষদের জন্য রুদ্রাক্ষকে শিবের বরদান বলা যায়। রুদ্রাক্ষ ধারনে মানবের অশেষ কল্যাণ সাধন হয়ে থাকে। এই জন্য নিজের ইষ্ট সিদ্ধির জন্য ও অশুভ গ্রহের পীড়া থেকে মুক্তির জন্য রুদ্রাক্ষ ধারণ করুন ফল অবশ্যই পাবেন।।
