বিদ্যাক্ষেত্রে সফলতা লাভের জন্য নিম্নোক্ত টোটকাগুলি অনুসরণ করলে প্রতিভাবান বিদ্যার্থীরা আরও বেশী লাভবান হতে পারেন।
১)বিদ্যার্থীদের সবসময় পূর্বদিকে মাথা রেখে শোওয়া উচিত তাতেঁ স্মরণ শক্তি বৃদ্ধি পায় । এবং বিদ্যর্থীদের পড়ার ঘর উত্তর-পূর্ব দিকে হওয়া উচিত তাতেঁ মনের একাগ্রতা বৃদ্ধি পায় । ২)সর্বদা চেয়ারটেবিলে বসে ঘাড় ও পিঠ সোজা রেখে
পড়াশুনা করবেন, এবং পড়ার ঘরকে নিয়মিত নিজহাতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখবেন।পড়ার টেবেলে অপ্রয়োজনীয় জিনিষপত্র রাখবেন না সম্ভব হলে টেবিলের ঈশান কোণে একটি ক্রীস্ট্যাল গ্লোব রাখুন এবং সামনের দিকের দেওয়ালে পঞ্চমূখী হনুমান কিংবা দেবী সরস্বতীর একটি বড়ো ফটো টাঙিয়ে রাখুন তাতেঁ পড়তে সময় পজেটিভ এনার্জি পাবেন । ৩)পড়াশুনার ক্ষেত্রে আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর জন্য প্রতিদিন অন্তত আধ ঘন্টা সময় সবুজ ঘাসের উপর খেলাধূলা করুন সেই সাথে যোগ-প্রাণায়ামের অভ্যাস করুন তাতেঁ মনের শক্তি বৃদ্ধি পাবে । ৪)পড়তে বসে অযথা হাত-পা নাড়াচড়া করবেন না কিংবা হেলেদুলে পড়বেন না তাতেঁ মনোসংযোগ নষ্ট হয় এবং খালি গায়ে বসেও কখন পড়াশুনা করবেন না পড়ার সময় সর্বদা শরীরে একটু ঢিলেডালা পোষাক পরিধান করুন তাতে পড়তে সুবিধে হবে । ৫)টেলিভিশনে বা মোবাইলে কখনই কোন ধ্বংসাত্মক বা অশ্লীল দৃশ্য দেখবেন না । এবং নেশাগ্রস্ততা, অত্যাধিক মোবাইলের ব্যবহার বা জোরে জোরে গান শুনার অভ্যাস করাটা ঠিক নয় তাতেঁ স্মরণ শক্তি লোপ পায়। তবে উচ্চ শ্রেণীর ছাত্র-ছাত্রীরা পড়ার সময় খুবই হালকা সাউণ্ডে গান বাঝাতে পারেন । ৬)বিদ্যার্থীদের শোবার ঘরে কিংবা পড়াশুনার ঘরে কখনই আয়না রাখবেন না এবং বিছানায় বসে কখনই পড়াশুনা করবেন না ।বই খোলা রেখে কখনই উঠে যাবেন না, বিদ্যার্থীদের ঘরে কখনই কোন হিংস্র জন্তু-জানোয়ারের ছবি কিংবা টেলিভিশন সেট, আলমারী পুরোনো নষ্ট হয়ে যাওয়া যন্ত্রপাতি প্রভৃতি রাখবেন না । ৭)বিদ্যার্থীরা লেখার জন্য সম্ভব হলে কালো কালিতে না লিখে নীল কালিতে লিখার অভ্যাস করুন, কোন লেখা ভুল হলে তা হিজিবিজি করে না কেটে সুন্দর করে এক টানে কাটুন এবং লিখার খাতায় একটি কচি অশ্বথ পত্র রাখুন তাতে ভালো ফল মিলবে। ৮)প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠেে পর্য্যাপ্ত পরিমানে ঠাণ্ডা জল পান করুন এবং সেই সাথে প্রতিদিন পাঁচটি করে তুলসী পাতা ভক্ষন করুন । ৯)যে সব বিদ্যার্থীরা চশমা ব্যবহার করেন তারা কাচের গ্লাস এর পরিবর্তে ফাইবার গ্লাস এর চশমা ব্যবহার করুন । ১০)প্রতিটি বিদ্যার্থীদের মা-বাবার কর্তব্য বৎসরে অনন্তত একবার দরিদ্র্য ছেলেমেয়েদের সাধ্যমত লেখা-পড়ার বস্থু দান করা উচিত । ১১)প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে ১০-১৫ মিনিট প্রাণায়াম বা মা-সরস্বতী দেবীর ধ্যান করুন, সবুজ চারা গাছে জল অর্পন করুন এবং সম্ভব হলে প্রতি বুধবার দিন কালো কুকুরকে অন্তত একটি করে বিস্কুট খাওয়ান । ১২)পড়ার চেয়ার টেবিল যেন কাঠের হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখবেন প্লাস্টিক বা লোহার চেয়ার-টেবিল ব্যবহার না করাটাই ভালো । পড়ার টেবিলের উপর কখনই কাঁচ পাতবেন না তথা অপ্রয়োজনীয় ধাতুর কোন বস্তু রাখবেন না । এবং টেবিল ক্লথ সবুজ বা গাঢ় নীল রংয়ের ব্যবহার করবেন তাতে মন শান্ত থাকবে, পড়াশুনায়ও মনোযোগ বৃদ্ধি পাবে। ১৩)পড়ার ঘরের ভিতরকার রং হালকা সবুজ, ক্রীম, হলুদ বা গোলাপী হলে ভালো হয় এবং ঘরের ভিতরকার পরিবেশ সর্বদা পবিত্র ও নির্মল রাখবেন। ১৪)যে সব বিদ্যার্থীদের পড়তে বসলেই আর পড়তে ভালো লাগে না তারাঁ প্রতিদিন পড়ার টেবিলে টাটকা ফুল রাখুন এবং টেবিলের উপর কোন সাধু-সন্তের ধ্যানমগ্ন মূর্তি রাখুন তাতে পড়তে মন লাগবে । ১৫)যে সব বিদ্যার্থীরা পড়া ভালো করে বুঝে উঠতে পারেন না তাঁরা প্রতি রবিবার একটি তাম্র বা পিতলের পা্ত্রে মিশ্রী পূর্ণ জল ভরে তাতে ২টি রক্তজবা ফুল দিয়ে সূর্য্যদেবকে অর্পিত করুন । ১৬)পড়াশুনায় প্রতিভা ভালো হওয়ার জন্য পরপর তিনটি গুরুবার পাঁচ রকমের মিষ্টি একটি পাত্রে নিয়ে তৎমধ্যে পাঁচটি এলাচি দিয়ে সন্ধ্যাবেলা অশ্বত্থ গাছের নীচে নিবেদন করুন এবং ভক্তিভরে নিজের মনোকামনা জানিয়ে অশ্বথ গাছকে সাত বার পরিক্রমা করুন । ১৭)প্রতিদিন কপালে কেশর বা দই দিয়ে ফোটা দিন । রৌপ্যপাত্রে রাখা দৈ রাত্রে চাঁদের আলোয় রেখে পরদিন খান তাতেঁ স্মরণ শক্তি বৃদ্ধি পাবে । ১৮)ডান হাতের অনামিকা আঙ্গুলে বিশুদ্ধ তামার আংটিতে লাল কর্কেতন মনি ধারণ করুন তাতে স্মরণশক্তি বৃদ্ধি হবে । এবং ডান বাহুতে বাঁ গলায় একটি পাঁচমূখি রুদ্রাক্ষ ধারণ করুন । ১৯)সরস্বতী যন্ত্র(লকেট), মহা স্বরস্বতী কবচ বা মহা নীল সরস্বতীত কবচও ধারণ করতে পারেন তাতেও আশাতীত ফললাভ করতে পারেন,। ২০)চূণী, মানিক্য, পোখরাজ, পান্না প্রভৃতি রত্ন ধারণ করেও বিদ্যাক্ষেত্রে সফলতা লাভ করতে পারেন ।
১)বিদ্যার্থীদের সবসময় পূর্বদিকে মাথা রেখে শোওয়া উচিত তাতেঁ স্মরণ শক্তি বৃদ্ধি পায় । এবং বিদ্যর্থীদের পড়ার ঘর উত্তর-পূর্ব দিকে হওয়া উচিত তাতেঁ মনের একাগ্রতা বৃদ্ধি পায় । ২)সর্বদা চেয়ারটেবিলে বসে ঘাড় ও পিঠ সোজা রেখে
পড়াশুনা করবেন, এবং পড়ার ঘরকে নিয়মিত নিজহাতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখবেন।পড়ার টেবেলে অপ্রয়োজনীয় জিনিষপত্র রাখবেন না সম্ভব হলে টেবিলের ঈশান কোণে একটি ক্রীস্ট্যাল গ্লোব রাখুন এবং সামনের দিকের দেওয়ালে পঞ্চমূখী হনুমান কিংবা দেবী সরস্বতীর একটি বড়ো ফটো টাঙিয়ে রাখুন তাতেঁ পড়তে সময় পজেটিভ এনার্জি পাবেন । ৩)পড়াশুনার ক্ষেত্রে আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর জন্য প্রতিদিন অন্তত আধ ঘন্টা সময় সবুজ ঘাসের উপর খেলাধূলা করুন সেই সাথে যোগ-প্রাণায়ামের অভ্যাস করুন তাতেঁ মনের শক্তি বৃদ্ধি পাবে । ৪)পড়তে বসে অযথা হাত-পা নাড়াচড়া করবেন না কিংবা হেলেদুলে পড়বেন না তাতেঁ মনোসংযোগ নষ্ট হয় এবং খালি গায়ে বসেও কখন পড়াশুনা করবেন না পড়ার সময় সর্বদা শরীরে একটু ঢিলেডালা পোষাক পরিধান করুন তাতে পড়তে সুবিধে হবে । ৫)টেলিভিশনে বা মোবাইলে কখনই কোন ধ্বংসাত্মক বা অশ্লীল দৃশ্য দেখবেন না । এবং নেশাগ্রস্ততা, অত্যাধিক মোবাইলের ব্যবহার বা জোরে জোরে গান শুনার অভ্যাস করাটা ঠিক নয় তাতেঁ স্মরণ শক্তি লোপ পায়। তবে উচ্চ শ্রেণীর ছাত্র-ছাত্রীরা পড়ার সময় খুবই হালকা সাউণ্ডে গান বাঝাতে পারেন । ৬)বিদ্যার্থীদের শোবার ঘরে কিংবা পড়াশুনার ঘরে কখনই আয়না রাখবেন না এবং বিছানায় বসে কখনই পড়াশুনা করবেন না ।বই খোলা রেখে কখনই উঠে যাবেন না, বিদ্যার্থীদের ঘরে কখনই কোন হিংস্র জন্তু-জানোয়ারের ছবি কিংবা টেলিভিশন সেট, আলমারী পুরোনো নষ্ট হয়ে যাওয়া যন্ত্রপাতি প্রভৃতি রাখবেন না । ৭)বিদ্যার্থীরা লেখার জন্য সম্ভব হলে কালো কালিতে না লিখে নীল কালিতে লিখার অভ্যাস করুন, কোন লেখা ভুল হলে তা হিজিবিজি করে না কেটে সুন্দর করে এক টানে কাটুন এবং লিখার খাতায় একটি কচি অশ্বথ পত্র রাখুন তাতে ভালো ফল মিলবে। ৮)প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠেে পর্য্যাপ্ত পরিমানে ঠাণ্ডা জল পান করুন এবং সেই সাথে প্রতিদিন পাঁচটি করে তুলসী পাতা ভক্ষন করুন । ৯)যে সব বিদ্যার্থীরা চশমা ব্যবহার করেন তারা কাচের গ্লাস এর পরিবর্তে ফাইবার গ্লাস এর চশমা ব্যবহার করুন । ১০)প্রতিটি বিদ্যার্থীদের মা-বাবার কর্তব্য বৎসরে অনন্তত একবার দরিদ্র্য ছেলেমেয়েদের সাধ্যমত লেখা-পড়ার বস্থু দান করা উচিত । ১১)প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে ১০-১৫ মিনিট প্রাণায়াম বা মা-সরস্বতী দেবীর ধ্যান করুন, সবুজ চারা গাছে জল অর্পন করুন এবং সম্ভব হলে প্রতি বুধবার দিন কালো কুকুরকে অন্তত একটি করে বিস্কুট খাওয়ান । ১২)পড়ার চেয়ার টেবিল যেন কাঠের হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখবেন প্লাস্টিক বা লোহার চেয়ার-টেবিল ব্যবহার না করাটাই ভালো । পড়ার টেবিলের উপর কখনই কাঁচ পাতবেন না তথা অপ্রয়োজনীয় ধাতুর কোন বস্তু রাখবেন না । এবং টেবিল ক্লথ সবুজ বা গাঢ় নীল রংয়ের ব্যবহার করবেন তাতে মন শান্ত থাকবে, পড়াশুনায়ও মনোযোগ বৃদ্ধি পাবে। ১৩)পড়ার ঘরের ভিতরকার রং হালকা সবুজ, ক্রীম, হলুদ বা গোলাপী হলে ভালো হয় এবং ঘরের ভিতরকার পরিবেশ সর্বদা পবিত্র ও নির্মল রাখবেন। ১৪)যে সব বিদ্যার্থীদের পড়তে বসলেই আর পড়তে ভালো লাগে না তারাঁ প্রতিদিন পড়ার টেবিলে টাটকা ফুল রাখুন এবং টেবিলের উপর কোন সাধু-সন্তের ধ্যানমগ্ন মূর্তি রাখুন তাতে পড়তে মন লাগবে । ১৫)যে সব বিদ্যার্থীরা পড়া ভালো করে বুঝে উঠতে পারেন না তাঁরা প্রতি রবিবার একটি তাম্র বা পিতলের পা্ত্রে মিশ্রী পূর্ণ জল ভরে তাতে ২টি রক্তজবা ফুল দিয়ে সূর্য্যদেবকে অর্পিত করুন । ১৬)পড়াশুনায় প্রতিভা ভালো হওয়ার জন্য পরপর তিনটি গুরুবার পাঁচ রকমের মিষ্টি একটি পাত্রে নিয়ে তৎমধ্যে পাঁচটি এলাচি দিয়ে সন্ধ্যাবেলা অশ্বত্থ গাছের নীচে নিবেদন করুন এবং ভক্তিভরে নিজের মনোকামনা জানিয়ে অশ্বথ গাছকে সাত বার পরিক্রমা করুন । ১৭)প্রতিদিন কপালে কেশর বা দই দিয়ে ফোটা দিন । রৌপ্যপাত্রে রাখা দৈ রাত্রে চাঁদের আলোয় রেখে পরদিন খান তাতেঁ স্মরণ শক্তি বৃদ্ধি পাবে । ১৮)ডান হাতের অনামিকা আঙ্গুলে বিশুদ্ধ তামার আংটিতে লাল কর্কেতন মনি ধারণ করুন তাতে স্মরণশক্তি বৃদ্ধি হবে । এবং ডান বাহুতে বাঁ গলায় একটি পাঁচমূখি রুদ্রাক্ষ ধারণ করুন । ১৯)সরস্বতী যন্ত্র(লকেট), মহা স্বরস্বতী কবচ বা মহা নীল সরস্বতীত কবচও ধারণ করতে পারেন তাতেও আশাতীত ফললাভ করতে পারেন,। ২০)চূণী, মানিক্য, পোখরাজ, পান্না প্রভৃতি রত্ন ধারণ করেও বিদ্যাক্ষেত্রে সফলতা লাভ করতে পারেন ।
