দয়া
পরবেশ হয়ে ভগবান বিষ্ণু একদিন নারদ কে বললেন হে - নারদ যে ব্যক্তি রুদ্রাক্ষ ধারণ
করে সেই ব্যক্তির ভূত-প্রেত ও অশুভ শক্তির দ্ধারা কখনই কোন অনিষ্ট হয় না, রুদ্রাক্ষ
ধারণকারী ব্যক্তিকে স্বয়ং যমরাজও ভয় পান এই জন্য রুদ্রাক্ষ ধারী ব্যক্তির কখনই
অকাল মৃত্যু হয় না । রুদ্রাক্ষ ধারণ কারী ব্যক্তির প্রতি মহাদেব সদা তুষ্ট থাকেন
আর যার উপর স্বয়ং দেবাদিদেব মহাদেব প্রসন্ন থাকেন সেই ব্যক্তির উপর অন্যান্য দেব
দেবীর কৃপা অবশ্যই থাকে, শনি, মঙ্গল রাহু কেতু কোন গ্রহ দোষেই রুদ্রাক্ষ ধারণকারীর
কোন লোকসান হয় না । যাঁর জন্য রুদ্রাক্ষ ধারণকারী ব্যক্তির কোন দুঃখ কষ্ট ভোগ করতে
হয় না । পরম পাবন রুদ্রাক্ষ ভগবান শিবের অতি প্রিয় বস্তু তাই রুদ্রাক্ষ ধারণ, দর্শন
এবং জপ দ্ধারা সর্ব পাপ দূরীবৎ হয়।
ভগবান বিষ্ণুর কথা শুনে নারদ বললেন হে প্রভু- এই পরম পাবন, সর্ব গুণান্বিত রুদ্রাক্ষের উৎপত্তি কি ভাবে হলো তখন ভগবান নারায়ন বললেন পুরাকালে ত্রিপুরাসুর নামক এক মহা পরাক্রমশালী দুর্জয় অসুরের জন্ম হয়েছিল । এই অসুরের অত্যাচারে স্বর্গ মর্ত্য পাতাল ত্রাহি ত্রাহি রব করছিল । সাধু সন্ত মহাত্মারা নিজের ধর্ম কর্ম করা দুর্নিবার হয়ে উঠেছিল এমনকী এই অসুরের অত্যাচারে দেবতারাও স্বর্গচ্যুত হয়েছিলেন । সেই সময় সৃষ্টি রক্ষার্থে সমবেত দেবতাগন ভগবান শিবের কাছে উপস্তিথ হয়ে অসুরের অত্যাচার থেকে রক্ষার জন্য স্তুতি করলেন তখন ভগবান ভোলানাথ সর্বদেবতা গণকে রক্ষা করতে এবং সৃষ্টির অস্তিত্ব রক্ষার্থে সর্ব বিঘ্ন নাশ করতে সর্ব দেবময় দিব্য জ্বলন্ত মহাঘোররুপী অঘোর অস্ত্র নিয়ে ত্রিপুরাসুর কে নাশ করতে মহা সংগ্রামে উদ্যত হলেন অবশেষে এক দিব্য সহস্র বর্ষ যুদ্ধ করে ত্রিপুরাসুর কে বধ করে যখন ভগবান শিব সৃষ্টির দিকে চক্ষু উনমিলিত করলেন তখন মায়া প্রবাহে শিবের চক্ষু দিয়ে অশ্রু বিন্দু পতিত হয় ।
এবং সেই অশ্রু বিন্দু থেকেই মহারুদ্রাক্ষের বৃক্ষ উৎপন্ন হয় । সেই সময় থেকেই রুদ্রাক্ষ শিবের কৃপায় সমস্ত ভক্তগনের অতি আদরণীয় এবং উপকারী হয়ে উঠে ।
রুদ্রাক্ষের উৎপত্তি কথা শুনে নারদ বললেন হে নারায়ণ, রুদ্রাক্ষ কী সকলে ধারণ করতে পারে এবং রুদ্রাক্ষের ধারণ বিধি কী সেটা আমাকে অবগত করান ?
তখন ভগবান নারায়ণ নারদের জিজ্ঞাসু মনকে শান্ত করার জন্য বললেন হে নারদ রুদ্রাক্ষ যে কেইই ধারণ করতে পারে শুধুমাত্র ভগবান শিবের মহামন্ত্র এ অভিমনত্রিত করে কোন শুভ মূহর্তে ধারণ করে নিতে হয়। এজন্য কোন বাচবিচারের প্রয়োজনীতা নেই, ব্রহ্মণ বৈশ্য শূদ্র যে কেউই ভক্তি বিশ্বাস সহকারে ধারণ করতে পারে । আর তখন থেকেই রুদ্রাক্ষের মহিমা সারা জগতে প্রচারিত হলো।
হিন্দু ধর্মে রুদ্রাক্ষকের মহিমা অনেক ভাবে বর্ননা করা হয়েছে রুদ্রাক্ষ ধারণকারী ব্যক্তির কখনই অকাল মৃত্যু হয় না , রুদ্রাক্ষ ধারণ কারী ব্যক্তির মৃত্যুর পর রুদ্রলোক অর্থাৎ শিবলোক প্রাপ্তি হয় । রুদ্রাক্ষ ধারণ কারী ব্যক্তি সর্ব পাপ থেকে নিস্তার পায় ।
💥অতএব নিজের মনোকামনা পূর্তির জন্য রুদ্রাক্ষ ধারণ করুন, যখন এক বা একাধিক গ্রহ দ্ধারা পীড়িত হয়ে কাজকর্মে বার বার বাধা আসছে, একের পর এক অশান্তি লেগেই আছে রত্ন ধারণ করেও কাজ হচ্ছে না তখন অবশ্যই রুদ্রাক্ষ ধারণ করুন, কারণ সর্ব গুণান্বিত রুদ্রাক্ষ কখনই কার্য্যহীন হয় না, সকল প্রতিকূল অবস্থাতেও রুদ্রাক্ষ অপার শক্তিতে কাজ করে। আর যাঁর উপর স্বয়ং ভগবান শিবের কৃপা দৃষ্টি পতিত হয় , তার উপর সংসারের কোন বাধা বিপত্তিই কোন অনিষ্ট করতে পারে না ।
💥রুদ্রাক্ষ কখন ধারণ করা উচিত;
বছরের যে কোন দিনই শুভ মহুর্ত দেখে শিবের মহামন্ত্র এ অভিমনত্রিত করে রুদ্রাক্ষ ধারণ করা যায়, তবে অধিক ফললাভের জন্য
❇ গ্রহণ কালে, চৈত্র সংক্রান্তিতে, অয়ন, অমাবস্যা বা পূর্ণিমা তিথিতে রুদ্রাক্ষ ধারণ করলে অনেক আশাতীত ফললাভ করা যায়।
বিশেষ👉 নকল রুদ্রাক্ষ ধারনে কাজের কাজ কিছুই হয় না, এই জন্য সর্বদা আসল রুদ্রাক্ষ ধারণ করতে হবে।
👉বাজার থেকে কিংবা ফুটপাত থেকে রুদ্রাক্ষ কিনে এনে ধারণ করে নিলেই কাজ দিবে না , রুদ্রাক্ষটিকে কোন বিজ্ঞ তান্ত্রিক দিয়ে অভিমনত্রিত করিয়ে নিয়ে তারপর ধারণ করতে হবে তখন রুদ্রাক্ষ পুরো কাজ করবে।
👍 যাঁরা কোন কারনে রুদ্রাক্ষ ধারণ করতে চান না তারা যদি রুদ্রাক্ষকে অভিমনত্রিত করে নিজের ঘরে বা ব্যবসা প্রতিষ্টানে স্থাপন করিয়ে নেন তাহলে অনেক ফললাভ করতে পারবেন ।
🔵ভগবান শিবের মহামন্ত্র এ অভিমনত্রিত আসল রুদ্রাক্ষ ধারণ করার জন্য অর্ডার দিতে পারেন
☎📞 9476907326 / 8472962928 (অনলাইন অর্ডার রাখা হয়, এবং কূরিয়ার করে পাঠানোর ব্যবস্থা আছে)
ভগবান বিষ্ণুর কথা শুনে নারদ বললেন হে প্রভু- এই পরম পাবন, সর্ব গুণান্বিত রুদ্রাক্ষের উৎপত্তি কি ভাবে হলো তখন ভগবান নারায়ন বললেন পুরাকালে ত্রিপুরাসুর নামক এক মহা পরাক্রমশালী দুর্জয় অসুরের জন্ম হয়েছিল । এই অসুরের অত্যাচারে স্বর্গ মর্ত্য পাতাল ত্রাহি ত্রাহি রব করছিল । সাধু সন্ত মহাত্মারা নিজের ধর্ম কর্ম করা দুর্নিবার হয়ে উঠেছিল এমনকী এই অসুরের অত্যাচারে দেবতারাও স্বর্গচ্যুত হয়েছিলেন । সেই সময় সৃষ্টি রক্ষার্থে সমবেত দেবতাগন ভগবান শিবের কাছে উপস্তিথ হয়ে অসুরের অত্যাচার থেকে রক্ষার জন্য স্তুতি করলেন তখন ভগবান ভোলানাথ সর্বদেবতা গণকে রক্ষা করতে এবং সৃষ্টির অস্তিত্ব রক্ষার্থে সর্ব বিঘ্ন নাশ করতে সর্ব দেবময় দিব্য জ্বলন্ত মহাঘোররুপী অঘোর অস্ত্র নিয়ে ত্রিপুরাসুর কে নাশ করতে মহা সংগ্রামে উদ্যত হলেন অবশেষে এক দিব্য সহস্র বর্ষ যুদ্ধ করে ত্রিপুরাসুর কে বধ করে যখন ভগবান শিব সৃষ্টির দিকে চক্ষু উনমিলিত করলেন তখন মায়া প্রবাহে শিবের চক্ষু দিয়ে অশ্রু বিন্দু পতিত হয় ।
এবং সেই অশ্রু বিন্দু থেকেই মহারুদ্রাক্ষের বৃক্ষ উৎপন্ন হয় । সেই সময় থেকেই রুদ্রাক্ষ শিবের কৃপায় সমস্ত ভক্তগনের অতি আদরণীয় এবং উপকারী হয়ে উঠে ।
রুদ্রাক্ষের উৎপত্তি কথা শুনে নারদ বললেন হে নারায়ণ, রুদ্রাক্ষ কী সকলে ধারণ করতে পারে এবং রুদ্রাক্ষের ধারণ বিধি কী সেটা আমাকে অবগত করান ?
তখন ভগবান নারায়ণ নারদের জিজ্ঞাসু মনকে শান্ত করার জন্য বললেন হে নারদ রুদ্রাক্ষ যে কেইই ধারণ করতে পারে শুধুমাত্র ভগবান শিবের মহামন্ত্র এ অভিমনত্রিত করে কোন শুভ মূহর্তে ধারণ করে নিতে হয়। এজন্য কোন বাচবিচারের প্রয়োজনীতা নেই, ব্রহ্মণ বৈশ্য শূদ্র যে কেউই ভক্তি বিশ্বাস সহকারে ধারণ করতে পারে । আর তখন থেকেই রুদ্রাক্ষের মহিমা সারা জগতে প্রচারিত হলো।
হিন্দু ধর্মে রুদ্রাক্ষকের মহিমা অনেক ভাবে বর্ননা করা হয়েছে রুদ্রাক্ষ ধারণকারী ব্যক্তির কখনই অকাল মৃত্যু হয় না , রুদ্রাক্ষ ধারণ কারী ব্যক্তির মৃত্যুর পর রুদ্রলোক অর্থাৎ শিবলোক প্রাপ্তি হয় । রুদ্রাক্ষ ধারণ কারী ব্যক্তি সর্ব পাপ থেকে নিস্তার পায় ।
💥অতএব নিজের মনোকামনা পূর্তির জন্য রুদ্রাক্ষ ধারণ করুন, যখন এক বা একাধিক গ্রহ দ্ধারা পীড়িত হয়ে কাজকর্মে বার বার বাধা আসছে, একের পর এক অশান্তি লেগেই আছে রত্ন ধারণ করেও কাজ হচ্ছে না তখন অবশ্যই রুদ্রাক্ষ ধারণ করুন, কারণ সর্ব গুণান্বিত রুদ্রাক্ষ কখনই কার্য্যহীন হয় না, সকল প্রতিকূল অবস্থাতেও রুদ্রাক্ষ অপার শক্তিতে কাজ করে। আর যাঁর উপর স্বয়ং ভগবান শিবের কৃপা দৃষ্টি পতিত হয় , তার উপর সংসারের কোন বাধা বিপত্তিই কোন অনিষ্ট করতে পারে না ।
💥রুদ্রাক্ষ কখন ধারণ করা উচিত;
বছরের যে কোন দিনই শুভ মহুর্ত দেখে শিবের মহামন্ত্র এ অভিমনত্রিত করে রুদ্রাক্ষ ধারণ করা যায়, তবে অধিক ফললাভের জন্য
❇ গ্রহণ কালে, চৈত্র সংক্রান্তিতে, অয়ন, অমাবস্যা বা পূর্ণিমা তিথিতে রুদ্রাক্ষ ধারণ করলে অনেক আশাতীত ফললাভ করা যায়।
বিশেষ👉 নকল রুদ্রাক্ষ ধারনে কাজের কাজ কিছুই হয় না, এই জন্য সর্বদা আসল রুদ্রাক্ষ ধারণ করতে হবে।
👉বাজার থেকে কিংবা ফুটপাত থেকে রুদ্রাক্ষ কিনে এনে ধারণ করে নিলেই কাজ দিবে না , রুদ্রাক্ষটিকে কোন বিজ্ঞ তান্ত্রিক দিয়ে অভিমনত্রিত করিয়ে নিয়ে তারপর ধারণ করতে হবে তখন রুদ্রাক্ষ পুরো কাজ করবে।
👍 যাঁরা কোন কারনে রুদ্রাক্ষ ধারণ করতে চান না তারা যদি রুদ্রাক্ষকে অভিমনত্রিত করে নিজের ঘরে বা ব্যবসা প্রতিষ্টানে স্থাপন করিয়ে নেন তাহলে অনেক ফললাভ করতে পারবেন ।
🔵ভগবান শিবের মহামন্ত্র এ অভিমনত্রিত আসল রুদ্রাক্ষ ধারণ করার জন্য অর্ডার দিতে পারেন
☎📞 9476907326 / 8472962928 (অনলাইন অর্ডার রাখা হয়, এবং কূরিয়ার করে পাঠানোর ব্যবস্থা আছে)
