বিবাহ কোন ছেলেখেলা নয়

💑 বিয়ের অনেক কথা জন্মকুণড্লী বলে দেয়, কার ভাগ্যে কেমন বর বা কনে হবে তা একমাত্র জ্যোতিষ শাস্ত্রই বলতে পারে, বিবাহের সময় সকল ছেলেরই একটা লালায়িত স্বপ্ন থাকে মেয়ে যেন খুবই সুন্দরী হয়,
কুৎসিত ও বাদরমুখো ছেলেরও ইচ্ছে থাকে মরিচরাঙা কন্যা কে বিয়ে করতে , কিন্তু এই সব ছেলেরা কখনই আয়নাতে নিজের মুখটা হয়তো ভালো করে দেখেন না নইলে এমন খেয়াল ওদের মনে আসতো না, নারী শুধু দেখতে সুন্দর হলেই হয় না নারীর আসল সুন্দরতা হলো স্বভাব চরিত্র ও গুণের মধ্যে।
তাই হিন্দু ধর্ম শাস্ত্রে বলা হয়েছে শুভশীল যুক্ত স্ত্রী লাভ হলে ত্রিবর্গ লাভ হয়ে থাকে অর্থাৎ ধর্ম, অর্থ ও কাম লাভ হয় । তার মানে হলো নারী যদি স্বভাব চরিত্রে গুনে ভালো হয় তাহলে সেই নারীকে বিয়ে করলে পুরুষের ধার্মিক দিক উন্নতি হয়, আয় উন্নতি হয় এবং নিজের কাম বাসনারও নিভৃত্তি হয়।
এমনও অনেক পুরুষ দেখবেন বিবাহের আগে খুবই অর্থ কষ্টের মধ্যে দিয়ে গেছে কিন্তু বিবাহের পর স্ত্রী ভাগ্যে দিন দিন উন্নতি করেছে।
ত্রি বর্গের সহায়ক স্ত্রী চরিত্র ও লগ্নবশে সৎ স্বভাবযুক্তা হয়। নারীর জন্ম শুভ লগ্নে হলে এবং জন্মকালে যদি রাশি লগ্নে শুভ গ্রহের দৃষ্টিপাত থাকে তাহলে সেই নারী অতি সৌভাগ্যবতী হয়ে থাকে আর এমন নারীকে বিয়ে করলে বিবাহের পর স্বামীর আয় উন্নতি ও সাফল্যতা আসে।
আর যদি নারীর জন্ম অশুভ ক্ষনের মধ্যে হয় অশুভ গ্রহের দৃষ্টিপাত থাকে তাহলে সেই নারী সকল দিক থেকে অশুভ হয়ে থাকে, যদিও বা দৈবাৎক্ৰমে শরীরের রং পরিষ্কার হয়েও যায় কিন্তু এদের মন ও স্বভাব চরিত্র কখনই পরিষ্কার হবে না এমন মেয়েদের কে বিবাহের পর স্বামীর সর্বনাশ হয়েই থাকে।আপনার আশপাশ একটু পরিলক্ষন করে দেখুন হাজারো প্রমান পেয়ে যাবেন।
💥তাই বিয়ের আলাপ আসতেই হুজগে বিবাহ ঠিক না করে  কোন বিজ্ঞ জ্যোতিষী দিয়ে ভালো করে কুণ্ডলী ম্যচ করিয়ে নিয়ে তারপর বিবাহ ঠিক করা উচিত। সেটাই হবে সবথেকে বুদ্ধিমানের কাজ।
কোন মেয়ের বাপ যতই অপদার্থ ও বেকুফ হোন না কেন একটি ব্যাপারে কিন্তু অন্য মেয়ের বাপের মতই অতি তৎপর থাকেন , আর সেটি হলো মেয়ের বিয়ের সময় খুবই কমর কষে সরকারী চাকুরিয়ান পাত্র খুঁজতে কোন কসরতই আর বাকি রাখেন না । তাতে মেয়ের বিয়ের বয়স পেরিয়ে গিয়ে মেয়ে বুড়োই হয়ে যাক না কেন তাতে কোন কিছু এদের যায় আসে না যেমন তেমন করেই হোক পাত্র কিন্তু সরকারী চাকুরিয়ান হতে হবে। এতে প্রয়োজন পড়লে না হয় মেয়ের বয়স কমিয়ে একটি নকল কুষ্টি না হয় বানিয়ে নেওয়া যাবে এই মতলবে এরা থাকেন।
আর শরীরের চামড়া ফর্সা মেয়েরাও খুবই জমিয়ে স্বপ্ন দেখে থাকেন ভালো চাকুরিয়ান জামাই হতো বউয়ের কথায় কথায় যেন চলতো, প্রয়োজন হলে যেন কানে ধরে উঠ বস করতো।
স্বপ্ন দেখা খারাফ নয় , তবে স্বপ্ন যেন বাস্তবের সাথে মানানসই হয়, নইলে যে অলীক স্বপ্নের পিছনে বেশ ছুটে নিজেরই জীবন যেন নষ্ট না হয় সেদিকটাও তো মাথায় রাখা উচিত।
কেউ এটা একবারও ভাবেন না মেয়ের ভাগ্যে কি লিখা আছে ....? মেয়ের কুন্ডলী কি বলছে ?? সরকারী চাকুরিয়ান পাত্রের সাথে কি বিবাহের কোন যোগ আছে ? তা কিন্তু কেউ বিচার করিয়ে দেখেন না শুধু মেয়ের বিয়ের সময় সরকারী চাকুরিয়ান পাত্র চাই, ধনী ঘরের পাত্র চাই , ক্রোড়রপতি পাত্র চাই লিস্ট লিয়ে মেয়ের পাত্র খুঁজে ঘুরে বেড়ান, আর এখন অনেক মেয়েরাও তো ধনী ঘরের হ্যান্ডসাম চাকুরিয়ান স্বামী পাওয়ার জন্য একের পর এক সেলফি পোস্ট করতে থাকেন ।
আসল কথা হলো সবকিছু তো আর জবরদস্তি হয় না
আপনার ভাগ্যে সরকারী চাকুরিয়ান স্বামী আছে কি সেটাও একটু বিচার করিয়ে তো দেখে নিন যদি সরকারি চাকুরিয়ান স্বামী পাওয়ার যোগ থাকে তাহলে ঠিক আছে অবশ্যই চেষ্টা করা উচিত নইলে বৃথা চেষ্টা করে লাভ কি,,, ? আজকাল বেসরকারি চাকুরীরত বা ভালো ব্যবসায়ী পাত্র কোন দিক থেকেই সরকারি চাকুরিয়ান পাত্র থেকে কম নন, হ্যা এটা অবশ্য ঠিক পাত্র সরকারি চাকুরীরত হলে ভবিষ্যতের একটা ভরসা থাকে, যেমন খুশি তেমন পাত্রকে নাচানো যায় ,,, নিজেরও ভবিষ্যৎ বেশ মজবুত থাকে ,,, কিন্তু সবার ভাগ্যে তো আর সমান নয় সে কথাটাও তো বুঝতে হবে ।🏀বিবাহের যোটক বিচার, কুন্ডলী মিলন, নাম-রাশি মিলন পভৃতি যে কোন বিশেষ বিচারের জন্য ফোন করতে পারেন  Ph: 9476907326 / 8472962928 নম্বরে।