রুদ্রাক্ষের গুণ ও উপকারিতা সম্বন্ধে যত বলা যায় ততই কম হবে, কারণ রুদ্রাক্ষের উপকারিতা ও মহিমা এত বেশি যে তা সম্পুর্ন লিখতে গেলে একটা মহাভারত লিখা হয়ে যাবে।রুদ্রাক্ষের উপকারিতা ও মহিমা সম্বন্ধে হিন্দু মাত্রেই সবারই কিছু না কিছু অবশ্যই জানা আছে, তবুও একটু খানি অবশ্যই উল্লেখ করা হচ্ছে ।
হিন্দু পুরাণাদি শাস্ত্র অনুসার রুদ্রাক্ষ দর্শন মাত্রই মানুষের পুন্যলাভ হয়ে থাকে
অতএব যাঁরা কোন কারনে রুদ্রাক্ষ ধারণ করতে আগ্রহী নন তাঁরা যদি নিদেনপক্ষে রুদ্রাক্ষ নিজের দেব মন্দিরে , পূজা গৃহে অথবা ব্যবসা প্রতিষ্টানে স্থাপন করে প্রতিদিন একবার শুদ্ধমনে রুদ্রাক্ষের দর্শন ও পূজন করেন তাহলেও অনেক আশাতীত ফললাভ করতে পারেন। রুদরাক্ষকে স্পর্শ করলে কোটিগুণ পুন্য সঞ্চয় হয়, এবং রুদ্রাক্ষ ধারণ করলে শত কোটিগুণ পুন্য সঞ্চয় হয় ও মানবের অশেষ মঙ্গল সাধিত হয়, গ্রহ দোষ দূর হয় এবং
বিভিন্ন মনোকামনা পূরণ হয় এই জন্য সবার ই উচিত নিদেন পক্ষে অন্তত একটি রুদ্রাক্ষ ধারণ করা । যেখানে হাজার হাজার টাকা দামের রত্ন ধারণ করেও আশানুরূপ কাজ হচ্ছে না সেখানে সামান্য টাকা খরচ করে রুদ্রাক্ষ ধারণ করে অনেক আশাতীত ফললাভ করতে পারেন। শিব পুরান অনুসার;- "রুদ্রাক্ষধারী সততং বন্দনীয়স্তথা নরঐ:,
উচ্ছিটো বা বিকর্মস্থ যুক্তো বা সর্বপাতকেই:মুচ্যতে সর্বপাপেভ্যা রুদ্রাক্ষস্য তু ধারণাৎ ।।
অর্থাৎ:- রুদ্রাক্ষ ধারণকারী ব্যক্তি মানব সমাজে সদাই বন্দনীয় হয়ে থাকে, রুদ্রাক্ষ ধারণকারী ব্যক্তি নীচ ও মহাপাপী হলেও রুদ্রাক্ষ গুনে সেই ব্যক্তি সকল পাপকর্ম থেকে নিস্তার পেয়ে থাকে । রুদ্রাক্ষ ধারণে ধর্ম, অর্থ, কাম, মোক্ষ এই চার পুরুষার্থ সিদ্দি হয় । রুদ্রাক্ষ দেবাদিদেব মহাদেবের অতি প্রিয় বস্তু সেই জন্য রুদ্রাক্ষ ধারণে মহাদেবের বিশেষ কৃপা দৃষ্টি লাভ করা যায়, অকাল মৃত্যুভয় দূর হয়, মানসিক চঞ্চলতা নাশ হয়, শত্রু বাধা ও প্রেতভয় দূর হয়ে থাকে। বিভিন্ন দুরারোগ্য রোগ ব্যাধিতেও রুদ্রাক্ষ এর প্রয়োগ দ্ধারা অনেক আশাতীত ফললাভ করা যায়, এই জন্য বিভিন্ন রোগ ব্যাধি, গ্রহদোষ ও বিভিন্ন প্রকারের শোক দুঃখ থেকে পরিত্রান পেতে রুদ্রাক্ষের সফল প্রয়োগ করা হয়ে থাকে । শিবপুরান অনুসারে সর্ব গুণান্বিত মহাশক্তিশালী রুদ্রাক্ষ ধারনে মানবের সকল রোগ শোক, জড়া ব্যাধি নাশ হয়ে থাকে। মহাদেবের আশীর্বাদধন্য রুদ্রাক্ষ সকল বয়সের যে কোন নর নারী নির্দ্বিধায় ধারণ করতে পারে, এজন্য কোন ধরণের বিধি নিষেধ কখনই আরোপ করা হয় নি।
রুদ্রাক্ষ প্রায় সর্বত্রই পাওয়া গিয়ে থাকে, আমাদের দেশেও উত্তর প্রদেশ , উত্তর কাশী, গংগোত্রী, যমুনাত্রী প্রভৃতি নানা স্থানে পাওয়া যায়। তিব্বত, ইন্দোনেশিয়া, জাভা, সুমাত্রা, ও চীন দেশেরও নানা স্থানে রুদ্রাক্ষ পাওয়া যায়, তবে সর্বোত্তম অর্থাৎ সব থেকে ভালো কোয়ালিটির এবং বেশী পরিমানে রুদ্রাক্ষ একমাত্র নেপালেই পাওয়া যায় তাই নেপালের রুদ্রাক্ষের কদর সব থেকে বেশী। ভালো ফল লাভের জন্য অবশ্যই নেপাল রুদ্রাক্ষ ই ধারণ করা উচিত কারণ নেপালের রুদ্রাক্ষ কাজ অনেক বেশি দেয়। রুদ্রাক্ষকে তামিল, তেলেগু ও কন্নড় ভাষায় রুদ্রাজ কোটি ও ল্যাটিন ভাষায় Elaeo carpus ganitrus roxb এবং ইংরেজী ভাষায় Utrasum Bead বলা হয়। 🔵জন্ম মাস অনুসারে রুদ্রাক্ষ ধারণ বিধি:- 💥জন্ম বৈশাখ মাসে হলে- তিনমুখী অথবা দশমুখী রুদ্রাক্ষ ধারণ করতে পারেন। 💥 জন্ম জৈষ্ট মাসে হলে- একমুখী,তিনমুখী, অথবা সপ্তমুখী রুদ্রাক্ষ ধারণ করুন। 💥 জন্ম আষাঢ় মাসে হলে- সপ্তমুখী রুদ্রাক্ষ ধারণ করবেন। 💥 জন্ম শ্রাবন মাসে হলে- তিনমুখী অথবা চারমুখী রুদ্রাক্ষ ধারন করবেন। 💥 জন্ম ভাদ্র মাসে হলে- দশমুখী রুদ্রাক্ষ ধারণ করবেন। 💥 জন্ম আশ্বিন মাসে হলে- নয় মুখী অথবা ত্রয়োদশ মুখী রুদ্রাক্ষ ধারণ করা উচিত। 💥 জন্ম কার্তিক মাসে হলে- নয়মুখী রুদ্রাক্ষ ধারণ করবেন । 💥 জন্ম অগ্রহায়ন মাসে হলে- দশমুখী রুদ্রাক্ষ ধারণ করবেন। 💥 জন্ম পৌষ মাসে হলে- অষ্টামুখী অথবা চতুর্দশমুখী রুদ্রাক্ষ ধারণ করুন। 💥 জন্ম মাঘ মাসে হলে- সপ্তমুখী অথবা অষ্টামুখী রুদ্রাক্ষ ধারণ করবেন। 💥 জন্ম ফাল্গুন মাসে হলে- চতুর্দশমুখী রুদ্রাক্ষ ধারণ করুন । 💥 জন্ম চৈত্র মাসে হলে- পঞ্চদশমুখী অথবা একমুখী রুদ্রাক্ষ ধারণ করলে উপকৃত হবেন। 🔵জন্মবার হিসাবে রুদ্রাক্ষ ধারণ বিধি: 💥রবিবারে জন্ম হলে দবাদশমুখী রুদ্রাক্ষ ধারনে তেজস্বিতা ও আর্থিক শ্রী বৃদ্ধি হবে। 💥সোমবারে জন্ম হলে চতুর্দশমুখী রুদ্রাক্ষ ধারনে পাপ থেকে মুক্তি ও মোক্ষ লাভ হয়। 💥মঙ্গলবাৰে জন্ম হলে সপ্তমুখী রুদ্রাক্ষ ধারণ করলে সুখ শান্তি ও সমৃদ্ধি লাভ হয়। 💥বুধবারে জন্ম হলে ষষ্ঠমুখী রুদ্রাক্ষ ধারনে জ্ঞান বৃদ্ধি হয়। 💥গুরুবারে জন্ম হলে পঞ্চমূখী রুদ্রাক্ষ ধারনে অর্থ ও বিদ্যা লাভ হয়। 💥শুক্রবারে জন্ম হলে তিনমুখী রুদ্রাক্ষ ধারনে সকল কার্য্য সিদ্ধি হয়। 💥শনিবারে জন্ম হলে নয় মুখী রুদ্রাক্ষ ধারনে সৌভাগ্য লাভ হয়। 🔵রুদ্রাক্ষ কখন ধারণ করবেন; রুদ্রাক্ষ কোন শুভ মুহূর্ত দেখেই ধারণ করা উচিত কারণ শুভ মূহর্তে আকাশে স্থিত গ্রহ নক্ষত্রের কিরণ একটি বিশেষ স্থিতিতে প্রবাহিত হয়ে থাকে । এই প্রভাব কোন বিশেষ কার্যের জন্য অতি প্রভাবদায়ী হয়ে থাকে । রুদ্রাক্ষের কার্য্যকারীতা বৃদ্ধির জন্য রুদ্রাক্ষ কেবলমাত্র বৈশাখ, শ্রাবন, আশ্বিন, কার্তিক, অগ্রহায়ন, এবং ফাল্গুন মাসে শনি ও মঙ্গলবার ব্যতীত অন্য যে কোন দিনে রুদ্রাক্ষ ধারণ খুবই প্রশস্ত অর্থাৎ এতে কাজ বেশি দিয়ে থাকে । 🔵 রুদ্রাক্ষ সবসময় আসল ও ওজনে ভারী দেখে ধারণ করা উচিত (সম্ভব হলে নেপাল রুদ্রাক্ষ ধারণ করুন নেপাল রুদ্রাক্ষের কার্যকারিতা গুন অন্যান্য জায়গার রুদ্রাক্ষের থেকে অনেক বেশি হয়ে থাকে)। 🔵 রুক্ষ শুষ্ক, ভাঙ্গা, হালকা, পোকা ধরা, ও নকল রুদ্রাক্ষে কোন কাজ হয় না । 🔵 অতএব সবসময় আসল রুদ্রাক্ষ শাস্ত্র সম্মত ভাবে সংস্কার করিয়ে নিয়ে তারপর শুভ মূহর্তে ধারন করুন আর যাঁরা ধারণ করতে চান না তারা যদি ভক্তি ভরে নিজের গৃহে স্থাপন করিয়ে নেন তাহলেও অনেকটা ফল পাবেন ।। ❇ আসলতার গারেন্টি যুক্ত রুদ্রাক্ষের অর্ডার দেওয়ার জন্য সম্পর্ক করুন:- ☎9476907326 / 8472962928 পঞ্চানন জ্যোতিষ ও তান্ত্রিক কার্য্যালয় ;বদরপুর (করিমগঞ্জ) আসাম।
হিন্দু পুরাণাদি শাস্ত্র অনুসার রুদ্রাক্ষ দর্শন মাত্রই মানুষের পুন্যলাভ হয়ে থাকে
অতএব যাঁরা কোন কারনে রুদ্রাক্ষ ধারণ করতে আগ্রহী নন তাঁরা যদি নিদেনপক্ষে রুদ্রাক্ষ নিজের দেব মন্দিরে , পূজা গৃহে অথবা ব্যবসা প্রতিষ্টানে স্থাপন করে প্রতিদিন একবার শুদ্ধমনে রুদ্রাক্ষের দর্শন ও পূজন করেন তাহলেও অনেক আশাতীত ফললাভ করতে পারেন। রুদরাক্ষকে স্পর্শ করলে কোটিগুণ পুন্য সঞ্চয় হয়, এবং রুদ্রাক্ষ ধারণ করলে শত কোটিগুণ পুন্য সঞ্চয় হয় ও মানবের অশেষ মঙ্গল সাধিত হয়, গ্রহ দোষ দূর হয় এবং
বিভিন্ন মনোকামনা পূরণ হয় এই জন্য সবার ই উচিত নিদেন পক্ষে অন্তত একটি রুদ্রাক্ষ ধারণ করা । যেখানে হাজার হাজার টাকা দামের রত্ন ধারণ করেও আশানুরূপ কাজ হচ্ছে না সেখানে সামান্য টাকা খরচ করে রুদ্রাক্ষ ধারণ করে অনেক আশাতীত ফললাভ করতে পারেন। শিব পুরান অনুসার;- "রুদ্রাক্ষধারী সততং বন্দনীয়স্তথা নরঐ:,
উচ্ছিটো বা বিকর্মস্থ যুক্তো বা সর্বপাতকেই:মুচ্যতে সর্বপাপেভ্যা রুদ্রাক্ষস্য তু ধারণাৎ ।।
অর্থাৎ:- রুদ্রাক্ষ ধারণকারী ব্যক্তি মানব সমাজে সদাই বন্দনীয় হয়ে থাকে, রুদ্রাক্ষ ধারণকারী ব্যক্তি নীচ ও মহাপাপী হলেও রুদ্রাক্ষ গুনে সেই ব্যক্তি সকল পাপকর্ম থেকে নিস্তার পেয়ে থাকে । রুদ্রাক্ষ ধারণে ধর্ম, অর্থ, কাম, মোক্ষ এই চার পুরুষার্থ সিদ্দি হয় । রুদ্রাক্ষ দেবাদিদেব মহাদেবের অতি প্রিয় বস্তু সেই জন্য রুদ্রাক্ষ ধারণে মহাদেবের বিশেষ কৃপা দৃষ্টি লাভ করা যায়, অকাল মৃত্যুভয় দূর হয়, মানসিক চঞ্চলতা নাশ হয়, শত্রু বাধা ও প্রেতভয় দূর হয়ে থাকে। বিভিন্ন দুরারোগ্য রোগ ব্যাধিতেও রুদ্রাক্ষ এর প্রয়োগ দ্ধারা অনেক আশাতীত ফললাভ করা যায়, এই জন্য বিভিন্ন রোগ ব্যাধি, গ্রহদোষ ও বিভিন্ন প্রকারের শোক দুঃখ থেকে পরিত্রান পেতে রুদ্রাক্ষের সফল প্রয়োগ করা হয়ে থাকে । শিবপুরান অনুসারে সর্ব গুণান্বিত মহাশক্তিশালী রুদ্রাক্ষ ধারনে মানবের সকল রোগ শোক, জড়া ব্যাধি নাশ হয়ে থাকে। মহাদেবের আশীর্বাদধন্য রুদ্রাক্ষ সকল বয়সের যে কোন নর নারী নির্দ্বিধায় ধারণ করতে পারে, এজন্য কোন ধরণের বিধি নিষেধ কখনই আরোপ করা হয় নি।
রুদ্রাক্ষ প্রায় সর্বত্রই পাওয়া গিয়ে থাকে, আমাদের দেশেও উত্তর প্রদেশ , উত্তর কাশী, গংগোত্রী, যমুনাত্রী প্রভৃতি নানা স্থানে পাওয়া যায়। তিব্বত, ইন্দোনেশিয়া, জাভা, সুমাত্রা, ও চীন দেশেরও নানা স্থানে রুদ্রাক্ষ পাওয়া যায়, তবে সর্বোত্তম অর্থাৎ সব থেকে ভালো কোয়ালিটির এবং বেশী পরিমানে রুদ্রাক্ষ একমাত্র নেপালেই পাওয়া যায় তাই নেপালের রুদ্রাক্ষের কদর সব থেকে বেশী। ভালো ফল লাভের জন্য অবশ্যই নেপাল রুদ্রাক্ষ ই ধারণ করা উচিত কারণ নেপালের রুদ্রাক্ষ কাজ অনেক বেশি দেয়। রুদ্রাক্ষকে তামিল, তেলেগু ও কন্নড় ভাষায় রুদ্রাজ কোটি ও ল্যাটিন ভাষায় Elaeo carpus ganitrus roxb এবং ইংরেজী ভাষায় Utrasum Bead বলা হয়। 🔵জন্ম মাস অনুসারে রুদ্রাক্ষ ধারণ বিধি:- 💥জন্ম বৈশাখ মাসে হলে- তিনমুখী অথবা দশমুখী রুদ্রাক্ষ ধারণ করতে পারেন। 💥 জন্ম জৈষ্ট মাসে হলে- একমুখী,তিনমুখী, অথবা সপ্তমুখী রুদ্রাক্ষ ধারণ করুন। 💥 জন্ম আষাঢ় মাসে হলে- সপ্তমুখী রুদ্রাক্ষ ধারণ করবেন। 💥 জন্ম শ্রাবন মাসে হলে- তিনমুখী অথবা চারমুখী রুদ্রাক্ষ ধারন করবেন। 💥 জন্ম ভাদ্র মাসে হলে- দশমুখী রুদ্রাক্ষ ধারণ করবেন। 💥 জন্ম আশ্বিন মাসে হলে- নয় মুখী অথবা ত্রয়োদশ মুখী রুদ্রাক্ষ ধারণ করা উচিত। 💥 জন্ম কার্তিক মাসে হলে- নয়মুখী রুদ্রাক্ষ ধারণ করবেন । 💥 জন্ম অগ্রহায়ন মাসে হলে- দশমুখী রুদ্রাক্ষ ধারণ করবেন। 💥 জন্ম পৌষ মাসে হলে- অষ্টামুখী অথবা চতুর্দশমুখী রুদ্রাক্ষ ধারণ করুন। 💥 জন্ম মাঘ মাসে হলে- সপ্তমুখী অথবা অষ্টামুখী রুদ্রাক্ষ ধারণ করবেন। 💥 জন্ম ফাল্গুন মাসে হলে- চতুর্দশমুখী রুদ্রাক্ষ ধারণ করুন । 💥 জন্ম চৈত্র মাসে হলে- পঞ্চদশমুখী অথবা একমুখী রুদ্রাক্ষ ধারণ করলে উপকৃত হবেন। 🔵জন্মবার হিসাবে রুদ্রাক্ষ ধারণ বিধি: 💥রবিবারে জন্ম হলে দবাদশমুখী রুদ্রাক্ষ ধারনে তেজস্বিতা ও আর্থিক শ্রী বৃদ্ধি হবে। 💥সোমবারে জন্ম হলে চতুর্দশমুখী রুদ্রাক্ষ ধারনে পাপ থেকে মুক্তি ও মোক্ষ লাভ হয়। 💥মঙ্গলবাৰে জন্ম হলে সপ্তমুখী রুদ্রাক্ষ ধারণ করলে সুখ শান্তি ও সমৃদ্ধি লাভ হয়। 💥বুধবারে জন্ম হলে ষষ্ঠমুখী রুদ্রাক্ষ ধারনে জ্ঞান বৃদ্ধি হয়। 💥গুরুবারে জন্ম হলে পঞ্চমূখী রুদ্রাক্ষ ধারনে অর্থ ও বিদ্যা লাভ হয়। 💥শুক্রবারে জন্ম হলে তিনমুখী রুদ্রাক্ষ ধারনে সকল কার্য্য সিদ্ধি হয়। 💥শনিবারে জন্ম হলে নয় মুখী রুদ্রাক্ষ ধারনে সৌভাগ্য লাভ হয়। 🔵রুদ্রাক্ষ কখন ধারণ করবেন; রুদ্রাক্ষ কোন শুভ মুহূর্ত দেখেই ধারণ করা উচিত কারণ শুভ মূহর্তে আকাশে স্থিত গ্রহ নক্ষত্রের কিরণ একটি বিশেষ স্থিতিতে প্রবাহিত হয়ে থাকে । এই প্রভাব কোন বিশেষ কার্যের জন্য অতি প্রভাবদায়ী হয়ে থাকে । রুদ্রাক্ষের কার্য্যকারীতা বৃদ্ধির জন্য রুদ্রাক্ষ কেবলমাত্র বৈশাখ, শ্রাবন, আশ্বিন, কার্তিক, অগ্রহায়ন, এবং ফাল্গুন মাসে শনি ও মঙ্গলবার ব্যতীত অন্য যে কোন দিনে রুদ্রাক্ষ ধারণ খুবই প্রশস্ত অর্থাৎ এতে কাজ বেশি দিয়ে থাকে । 🔵 রুদ্রাক্ষ সবসময় আসল ও ওজনে ভারী দেখে ধারণ করা উচিত (সম্ভব হলে নেপাল রুদ্রাক্ষ ধারণ করুন নেপাল রুদ্রাক্ষের কার্যকারিতা গুন অন্যান্য জায়গার রুদ্রাক্ষের থেকে অনেক বেশি হয়ে থাকে)। 🔵 রুক্ষ শুষ্ক, ভাঙ্গা, হালকা, পোকা ধরা, ও নকল রুদ্রাক্ষে কোন কাজ হয় না । 🔵 অতএব সবসময় আসল রুদ্রাক্ষ শাস্ত্র সম্মত ভাবে সংস্কার করিয়ে নিয়ে তারপর শুভ মূহর্তে ধারন করুন আর যাঁরা ধারণ করতে চান না তারা যদি ভক্তি ভরে নিজের গৃহে স্থাপন করিয়ে নেন তাহলেও অনেকটা ফল পাবেন ।। ❇ আসলতার গারেন্টি যুক্ত রুদ্রাক্ষের অর্ডার দেওয়ার জন্য সম্পর্ক করুন:- ☎9476907326 / 8472962928 পঞ্চানন জ্যোতিষ ও তান্ত্রিক কার্য্যালয় ;বদরপুর (করিমগঞ্জ) আসাম।

