জনশ্রুতি অনুসার পুরাকালে মহা পরাক্রমশালী মহা প্রতাপী মহাবলী নামক এক দানব স্বর্গ জয়ের উদ্যেশে যখন দেবলোকে আক্রমন চালিয়ে ছিল তখন দেবরাজ ইন্দ্র সমেত সকল দেবতা মিলে কৌশলে মহাবলী দানব কে যজ্ঞের পশু হওয়ার জন্য রাখলেন , তখন দানব স্বতস্ফূর্ত সে স্বীকার করে নেয়, তখন দেবতারা পশুরুপী
সেই দানবকে যজ্ঞে আহুতি দেন এবং সেই পশুর অস্থি থেকে হীরা, দন্ত থেকে মুক্তা, রক্ত থেকে মানিক , পিত্ত থেকে পান্না, নেত্র থেকে নীলা, রস থেকে বৈধুর্য্য মণি, মজ্জা থেকে কর্কেতন মনি, নখ থেকে গোমেদ, মাংস থেকে প্রবাল, চামড়া থেকে পোখরাজ, বীর্য্য থেকে ভীষ্ম রত্ন এবং মেদ থেকে স্ফটিক নামক রত্নের সৃষ্টি হয়।
এইভাবে এই অসুর রুপী পশুর শরীরের বিভিন্ন অংশ থেকে বিভিন্ন রত্ন ও উপরত্নের সৃষ্টি হয় ।।
অবশ্য আধুনিক রত্ন বিজ্ঞানিদের মতে পৃথিবীর বিভিন্ন বিকারের পরিণামে যেরূপ সোনা , রুপা , তামা প্রভৃতি ধাতুর উৎপত্তি হয়েছে তদ্রুপ বিভিন্ন রত্নেরও উৎপত্তি হয়েছে ।
রত্নের উৎপত্তি যেভাবেই হোক না কেন তাতে কিছু যায় আসে না আসল কথা হলো রত্নের মধ্যে অনেক পারমাণবিক শক্তি বা দৈব গুন লুকিয়ে আছে যার কারণে রত্নের ব্যবহারে মানুষের নানা কল্যাণ সাধন হয়ে থাকে এ কথা আজকালকার আধুনিক বিজ্ঞানীরাও স্বীকার করেছেন।
এই জন্যই বলা হয়ে থাকে , "রত্ন কথা বলে রত্নের মধ্যে প্রাণ আছে, রত্ন আসল হলে কাজ কর্মে সফলতা মিলে"।
সেই দানবকে যজ্ঞে আহুতি দেন এবং সেই পশুর অস্থি থেকে হীরা, দন্ত থেকে মুক্তা, রক্ত থেকে মানিক , পিত্ত থেকে পান্না, নেত্র থেকে নীলা, রস থেকে বৈধুর্য্য মণি, মজ্জা থেকে কর্কেতন মনি, নখ থেকে গোমেদ, মাংস থেকে প্রবাল, চামড়া থেকে পোখরাজ, বীর্য্য থেকে ভীষ্ম রত্ন এবং মেদ থেকে স্ফটিক নামক রত্নের সৃষ্টি হয়।
এইভাবে এই অসুর রুপী পশুর শরীরের বিভিন্ন অংশ থেকে বিভিন্ন রত্ন ও উপরত্নের সৃষ্টি হয় ।।
অবশ্য আধুনিক রত্ন বিজ্ঞানিদের মতে পৃথিবীর বিভিন্ন বিকারের পরিণামে যেরূপ সোনা , রুপা , তামা প্রভৃতি ধাতুর উৎপত্তি হয়েছে তদ্রুপ বিভিন্ন রত্নেরও উৎপত্তি হয়েছে ।
রত্নের উৎপত্তি যেভাবেই হোক না কেন তাতে কিছু যায় আসে না আসল কথা হলো রত্নের মধ্যে অনেক পারমাণবিক শক্তি বা দৈব গুন লুকিয়ে আছে যার কারণে রত্নের ব্যবহারে মানুষের নানা কল্যাণ সাধন হয়ে থাকে এ কথা আজকালকার আধুনিক বিজ্ঞানীরাও স্বীকার করেছেন।
এই জন্যই বলা হয়ে থাকে , "রত্ন কথা বলে রত্নের মধ্যে প্রাণ আছে, রত্ন আসল হলে কাজ কর্মে সফলতা মিলে"।
