পদতল থেকে ভাগ্য বিচার

সামুদ্রিক শস্ত্রানুসার মানুষের পদতল থেকেও অনেক কিছু ভবিষ্যৎবাণী করা যায় ।
কোন মানুষের বামপায়ের তলায়:- অর্দ্ধচন্দ্র, কলস, ত্রিকোণ, ধনুষ, বল, গোষ্পেদ প্রভৃতি
চিহ্নের মধ্যে কোন চিহ্নথাকলে মানুষ অতি ভাগ্যবান হয়, জীবনের সবক্ষেত্রে
আশাতীত সাফল্য পেয়ে থাকে । কোন মানুষের ডানপায়ের তলায়:- অষ্টকোণ
, স্বস্তিক, চন্দ্র, ছত্র, যব, অঙ্কুশ, ধ্বজ, বজ্র, জম্বু, পদ্ম প্রভৃতি চিহ্নের মধ্যে কোন চিহ্ন থকলে
সেই মানুষের মানব জীবন সার্থক হয়ে থাকে, জীবনে অনেক ধন-সম্পদ ও
ভৈবব অর্জন করে থাকে ।
যাহার পদতলে বৃদ্ধাঙ্গুলীর মূল পর্য্যন্ত কোন উর্দ্ধরেখা থাকে সে মহাসৌভাগ্যবান হয়। যে ব্যক্তির পদতলে অবিচ্ছিন্ন বজ্ররেখা থাকে সে নীচ কূলে জন্ম নিয়েও মহান সম্মানীয় ও মহা প্রতাপী হয়ে উঠে ।
যাহার চরণের পর্ব্বরেখার মধ্যে অন্য রেখা থাকে সে ব্যক্তিও মহা ভাগ্যবান হয় । পদদ্ধয়ের গুলফ উন্নত ও অপ্রকাশিত হলে চরণতল পদ্মবৎ সুন্দর ও কোমল,
ঈষৎ স্বেদযুক্ত সে ব্যক্তি জীবনে অনেক সূখভোগ করে থাকে ।
যাহার পদতল সূর্পবৎ কুৎসিত, বক্র,ও কঠোরদর্শন এবং পায়ের আঙ্গুলীসকল অতি বিরল সে ব্যক্তি রাজকূলে জন্ম নিলেও অতি দরিদ্র, পাপী ও অসৎ প্রকৃতির হয়ে থাকে।
এবং জীবনে অশেষ দু:খভোগ করে থাকে ।
যাহার পদতলের বর্ণ পীতলোহিত মিশ্রিত, খঞ্জবৎ, বিচ্ছিন্ন, বক্র এবং গমনমকালে
বিষমভাবে নিক্ষিপ্ত হয় সে ব্যক্তি মহাপাপী ও খুনী প্রকৃতির হয়ে থাকে ।
পুরুষের চরণ যদি শিরাবিশিষ্ট, বক্র, শুষ্ক ও রুক্ষ হয় পদপৃষ্ট সুর্পবৎ হয়, নখগুলি
পাণ্ডুবর্ণ অঙ্গুলিসমুহ ফাঁক ফাঁক হয় তবে সেই হতভাগা পুরুষ জিবনে
কোনদিনই আয় উন্নতি করতে পারবে না, সর্বদা দারিদ্রতার মধ্যে দিয়ে জীবন অতিবাহিত করতে হবে ।
স্ত্রী জাতির চরণ তলে যদি বজ্র, পদ্ম বা হল চিহ্ণ থাকে, তবে দাসী হলে শেষে রাজরাণী হয় ।
নারীর চরণতলে চক্র, স্বস্তিক, শঙ্খ, পদ্ম, ধ্বজ, মৎস্য কিংবা ছত্ররেখা থাকলে সেই নারী অতি ভাগ্যবান হয় এবং তাহার বিবাহও অত্যন্ত ধনী পরিবারে হয়ে থাকে ।
যে নারীর পদদ্ধয় স্নেহবিশিষ্ট, সুন্দর, উন্নত ও তাম্রবর্ণ নখযুক্ত সেই নারী খুবই ভাগ্যবান হয় ।
নারীর চরণের নখসমুহ তাম্রবর্ণ স্নিগ্ধ, সমুন্নত, সুদর্শন এবং চরণতল ধ্বজাঙ্কুশাদি চিহ্নে অঙ্কিত হলে নারী মহাসৌভাগ্যবতী ও আদর্শবান হয়ে থাকে ।
যে নারীর পদতল স্নিগ্ধ কোমল, মাংসল, স্বেদহীন, সমান, উত্তপ্ত ও
আরক্ত সে স্ত্র্রী বহু ভোগশালিনী ওস্বামীর সৌভাগ্যপ্রদায়িনী হয়ে থাকে ।
যে নারীর পদতলে মূষিক, সর্প ও কাকরেখা থাকে সেই নারী অতি দূর্ভাগ্যবতী ও অলক্ষণিীয়া হয়ে থাকে ।
বৃদ্ধাঙ্গুলী ভিন্ন অন্য কোন অঙ্গুলীতে প্রদেশিনী রেখা মিলিত হলে নারী ব্যভিচারিণী হয় নিজের পতি থাকতেও অন্য পতির সাথে সম্ভোগ করে থাকে।
পদতলের মধ্যে ভাগ নত হইলে নারী দরিদ্রা, পদ শিরাবিশিষ্ট হইলে নারী
ভ্রমণকারিণী, কোমল হইলে দাসী, চিপিটাকৃতি হলে কুলক্ষনা এবং মাংসশূন্য হইলে ভাগ্যহীনা হয়ে থাকে ।
পদতল খণ্ডিতাকার, অসমান, কঠোর, কর্কশ, বিবর্ণ ও সূর্পবৎ বিশালাকৃতি এবং শুষ্ক হলে সেই নারী চির দূ:খিনী ও হতভাগিনী হশে থাকে এমন নারীর সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপনের আগে ভালো করে প্রতিকার করিয়ে নেওয়াটাই সবথেকে বুদ্ধিমানের কাজ।
নারীর পায়ের অঙ্গুলী সকল দীর্ঘ হলে নারী কুলটা অর্থাৎ ঝগড়ালু প্রকৃতির হয়, কৃশ
হইলে দরিদ্র, খর্ব্ব হইলে আয়ুহীনা, বক্র হইলে দূর্ভাগা, বিরলা হইলে দু:খ
প্রদায়িনী এবং অতি সংলগ্নাহইলে পতি ঘাতিনী অর্থাৎ স্বামীর মৃত্যুর কারক হয় ।
সামুদ্রিক শাস্ত্রানুসার আপনার ভাগ্যের না জানা পহেলিয়া এবং জীবনের বিভিন্ন দিক বিচার করানোর জন্য আপনার নাম, ঠিকানা, বয়স এবং আপনার এক কপি
রঙ্গিন ফটো Whatsapp করুন:- 9476907326 নম্বরে ।