বসন্ত বা হাম রোগ মায়ের দয়া নয়, কোন রোগই কোন মায়ের বা দেবী-দেবতার দয়া বা অভিশাপের জন্য হয় না। বসন্ত ও হাম রোগ নিয়ে এখনো গ্রামাঞ্চলের এমনকী শহরের সাধারণ মানুষের মধ্যে একটা ভ্রান্ত ধারণা হলো এসব রোগ নাকি মায়ের দয়াতেই হয়েছে, তাই এই সব অজ্ঞ লোকেরা হাম বা বসন্ত রোগ হলে কোন চিকিৎসাই করান না, মায়ের দয়া বলে রোগকে সইতে থাকেন। কখনো রোগীর অবস্থা অতি সঙ্কটজনক হলে তখনই চিকিৎসার কথা ভাবেন।
আয়ুর্বেদ শাসত্রানুসর বিরুদ্ধ ভোজন,অতিরিক্ত অম্ল, কটু, ক্ষার, লবণ দ্রব্য ভোজন, অজীর্ণতা, দূষিত জলপান বা রোগগ্রস্ত রোগীর সংস্পর্শে আসা প্রভৃতি কারনের জন্যই সাধারণত এই রোগ হয়ে থাকে।
বসন্ত রোগে আক্রান্ত হইবার পূর্বে গাত্র বেদনা, জ্বর, ভ্রম, চাঞ্চল্য, ত্বকস্ফিতি , চক্ষু রক্তবর্ণ ও শরীর বিবর্ন হয় । এবং হাম রোগে সর্বাঙ্গে ঘামাচির ন্যায় রক্তবর্ণের অতি ছোট ছোট ফুসকরী হয়ে থাকে।
আয়ুর্বেদ শাস্ত্রনুসার বসন্ত রোগ ধাতু ভেদে ত্রয়োদশ প্রকারের হয় 🏐বাতজ 🏐পিতজ 🏐রক্তজ 🏐কফজ 🏐সন্নিপাতজ 🏐রসগত 🏐রক্তগত 🏐মাংসগত 🏐চর্মদল 🏐মেদগত 🏐অস্থি ও মজ্জাগত 🏐রোমান্তি 🏐এবং শুক্র গত।
তৎ মধ্য সন্নিপাতজ, চর্মদল, মেদগত, অস্থি ও মজ্জাগত এবং শুক্র গত বসন্ত রোগে সময়মতো চিকিৎসা না করালে খুবই ভয়াবহ হতে পারে।
আয়ুর্বেদীয় চিকিৎসা পদ্ধতি:
✍জাতী ফুলের আরক অথবা কদলীর আরক অথবা শতপত্রির আরক সেবন ও দধি সহ অন্নাহার করিলেও বসন্ত রোগ নিরাময় হয়।
✍নিম, ক্ষেত পাপরা, আকনাদি, কটকী, পলতা, রক্তচন্দন,শ্বেত চন্দন, বেনার মূল, আমলকী বাসক ও দু্রালভার আরক চিনিসহ সেবন করলে সর্বপ্রকার বসন্ত রোগ নিরাময় হয়।
✍দুরালভা, ক্ষেতপাপরা, চিরতা ও কটকির ক্বাথ পান করলেও কফজ ও পিত্তজ বসন্তে উপকার হয়।
✍মনসা সিজ, প্রিয়ঙ্গু ও হিঞ্চিশাক এই সকল দ্রব্যের আরক পান করলেও উপকার হয়।
✍ রোগীর ঘর সর্বদা পরিষ্কার ও পরিছন্ন রাখুন, সু গন্ধিত ধূপ ব্যবহার করুন। রোগীকে কলা পাতার উপর শুয়াতে পারেন, তাছাড়া লেবইর গাছের পাতা দিয়ে শরীর ঝেড়ে দিতে পারেন বা রোগীর পাশে রাখতে পারেন। এবং রোগীকে ঠান্ডা জলে রেখে বানানো জল দৈই খাওয়ান খুবই উপকার পাবেন।
✍গোময়ের আরক পান করলে অথবা প্রলেপ রূপ ব্যবহার করিলেও দারুন কাজ দেয়।
✍রক্তচন্দন, বাসক, মুথা, গুলঞ্চ ও দ্রাক্ষা প্রভৃতির আরক শীতল জল সহ পান করলে লাভ হয়।
✍অষ্ট কশায় অর্থাৎ খদির কাষ্ট, আমলকি, হরিতকি, বহেরা, গুলঞ্চ, নিমছাল, পলতা ও বাসক ছাল সমমাত্রায় একত্র করে ক্বাথ বানিয়ে পান করলে হাম ও বসন্ত রোগে উপকার পাওয়া যায়।
অবশ্য আজকাল আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি দ্ধারাও এ রোগের বেশ ভালো চিকিৎসা হয়ে থাকে। প্রয়োজনে চিৎসকের পরামর্শনুসারে উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থাও নিতে পারেন।
যে কোন রোগে ঔষধ থেকে পথ্য অনেক বেশি কাজ দিয়ে থাকে এই জন্য বসন্ত বা হাম রোগে রোগীকে সাগু, বার্লি, দুগ্ধ ,চিনি, মিছরি আদি লঘু পথ্য খেতে দিন, রোগীর গায়ে জ্বর না থাকলে তিক্ত সব্জীর সুক্ত অন্নাহার দিতে পারেন।
উষ্ণবীর্য্য, গুরুপাক দ্রব্য, মৎস্য, মাংস প্রভৃতি দ্রব্য খেতে দেওয়া ঠিক নয়।
আয়ুর্বেদ শাসত্রানুসর বিরুদ্ধ ভোজন,অতিরিক্ত অম্ল, কটু, ক্ষার, লবণ দ্রব্য ভোজন, অজীর্ণতা, দূষিত জলপান বা রোগগ্রস্ত রোগীর সংস্পর্শে আসা প্রভৃতি কারনের জন্যই সাধারণত এই রোগ হয়ে থাকে।
বসন্ত রোগে আক্রান্ত হইবার পূর্বে গাত্র বেদনা, জ্বর, ভ্রম, চাঞ্চল্য, ত্বকস্ফিতি , চক্ষু রক্তবর্ণ ও শরীর বিবর্ন হয় । এবং হাম রোগে সর্বাঙ্গে ঘামাচির ন্যায় রক্তবর্ণের অতি ছোট ছোট ফুসকরী হয়ে থাকে।
আয়ুর্বেদ শাস্ত্রনুসার বসন্ত রোগ ধাতু ভেদে ত্রয়োদশ প্রকারের হয় 🏐বাতজ 🏐পিতজ 🏐রক্তজ 🏐কফজ 🏐সন্নিপাতজ 🏐রসগত 🏐রক্তগত 🏐মাংসগত 🏐চর্মদল 🏐মেদগত 🏐অস্থি ও মজ্জাগত 🏐রোমান্তি 🏐এবং শুক্র গত।
তৎ মধ্য সন্নিপাতজ, চর্মদল, মেদগত, অস্থি ও মজ্জাগত এবং শুক্র গত বসন্ত রোগে সময়মতো চিকিৎসা না করালে খুবই ভয়াবহ হতে পারে।
আয়ুর্বেদীয় চিকিৎসা পদ্ধতি:
✍জাতী ফুলের আরক অথবা কদলীর আরক অথবা শতপত্রির আরক সেবন ও দধি সহ অন্নাহার করিলেও বসন্ত রোগ নিরাময় হয়।
✍নিম, ক্ষেত পাপরা, আকনাদি, কটকী, পলতা, রক্তচন্দন,শ্বেত চন্দন, বেনার মূল, আমলকী বাসক ও দু্রালভার আরক চিনিসহ সেবন করলে সর্বপ্রকার বসন্ত রোগ নিরাময় হয়।
✍দুরালভা, ক্ষেতপাপরা, চিরতা ও কটকির ক্বাথ পান করলেও কফজ ও পিত্তজ বসন্তে উপকার হয়।
✍মনসা সিজ, প্রিয়ঙ্গু ও হিঞ্চিশাক এই সকল দ্রব্যের আরক পান করলেও উপকার হয়।
✍ রোগীর ঘর সর্বদা পরিষ্কার ও পরিছন্ন রাখুন, সু গন্ধিত ধূপ ব্যবহার করুন। রোগীকে কলা পাতার উপর শুয়াতে পারেন, তাছাড়া লেবইর গাছের পাতা দিয়ে শরীর ঝেড়ে দিতে পারেন বা রোগীর পাশে রাখতে পারেন। এবং রোগীকে ঠান্ডা জলে রেখে বানানো জল দৈই খাওয়ান খুবই উপকার পাবেন।
✍গোময়ের আরক পান করলে অথবা প্রলেপ রূপ ব্যবহার করিলেও দারুন কাজ দেয়।
✍রক্তচন্দন, বাসক, মুথা, গুলঞ্চ ও দ্রাক্ষা প্রভৃতির আরক শীতল জল সহ পান করলে লাভ হয়।
✍অষ্ট কশায় অর্থাৎ খদির কাষ্ট, আমলকি, হরিতকি, বহেরা, গুলঞ্চ, নিমছাল, পলতা ও বাসক ছাল সমমাত্রায় একত্র করে ক্বাথ বানিয়ে পান করলে হাম ও বসন্ত রোগে উপকার পাওয়া যায়।
অবশ্য আজকাল আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি দ্ধারাও এ রোগের বেশ ভালো চিকিৎসা হয়ে থাকে। প্রয়োজনে চিৎসকের পরামর্শনুসারে উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থাও নিতে পারেন।
যে কোন রোগে ঔষধ থেকে পথ্য অনেক বেশি কাজ দিয়ে থাকে এই জন্য বসন্ত বা হাম রোগে রোগীকে সাগু, বার্লি, দুগ্ধ ,চিনি, মিছরি আদি লঘু পথ্য খেতে দিন, রোগীর গায়ে জ্বর না থাকলে তিক্ত সব্জীর সুক্ত অন্নাহার দিতে পারেন।
উষ্ণবীর্য্য, গুরুপাক দ্রব্য, মৎস্য, মাংস প্রভৃতি দ্রব্য খেতে দেওয়া ঠিক নয়।
