কতিপয় রোগে স্বামীজী নুষ্কা


অতি মহত্তপূর্ণ পোষ্ট: স্বপ্নদোষে চারিয়ানা পরিমিত অশ্বগন্ধা চূর্ণ রাত্রে শয়নকালে কাঁচা গোদুগ্ধের সহিত সেবন করিলে আশু ফললাভ হয়।
মাথার চুল কালো করার জন্য দুগ্ধের সহিত করবীর বলকল বেঁটে একমাস মাথায় লাগান তাতে চুল বহুদিন কৃষ্ণবর্ণ থাকে।
হঠাৎ কোন চোট বা আঘাত পেয়ে শরীরের কোন অংশের হাড় ভাঙ্গিয়া গেলে অর্জুন বলকল রসুন ও হাড়ভাঙ্গা লতা সমভাগে বাটিয়া ভাঙ্গা স্থানে লাগাইয়া বেঁধে রাখুন হাড় জোড়া লেগে যাবে
পস্রাব করিবার সময় পস্রাব না হইলে বা পস্রাব করিতে কষ্টবোধ হইলে অর্জুন ছাল সিদ্ধ করিয়া সেবন করুন দ্রুত ফল মিলবে।
ভীমরুল বোলতা বা বিছার দংশনে পেঁয়াজের ভিতরের খোসার রস লাগান যন্ত্রণা কমবে।
শীতকালে পায়ের গোড়ালী ফাটলে মম সরষের তেলে গরম করে লাগান অতি উপকার পাবেন।
ধাতু দূর্বলতাতে 7/8 ফোঁটা বটের দুধ মিশ্রি ও মধু সহ প্রাতঃকালে সেবন করুন।
কোন কারনে পস্রাব রোধ হইলে পলিমাটি আমলকির সহিত বাটিয়া নাভির স্থানে প্রলেপ দিলে ঝাড়া পস্রাব হইয়া যায়।
মাথাধরা রোগে কপালে লাল চন্দনের প্রলেপ দিন আরাম পাবেন।
চক্ষু উঠিলে বা চক্ষু থেকে জল ঝরলে রক্ত চন্দন ঘষে চক্ষুর চারিডিকে প্রলেপ দিন।
গলা ভাঙ্গা বা স্বর ভঙ্গ রোগে তেজপাতার ধুয়ো শ্বাসের সহিত টানলে উপকার হয়।
শরীরের কোন অংশ মচকে গেলে কেরোসিন তেল ও লবণ একত্র মিশিত করে মালিশ করুন লাভ হবে।
বহুমূত্র রোগে কচি শিমুল মুলের চূর্ণ কিঞ্চিৎ মধুসহ কিছুদিন খেলে বহুমূত্র রোগ আরোগ্য হয়।
সাদা ধুনো ঘৃতের সহিত মিশ্রিত করিয়া পদতলে লাগাইলে বা আগুনে সেক দিলে পায়ের ফাটা আরোগ্য হয়।
তাম্র অঙ্গুরী যে অন্ড স্ফীত তার বিপরীত দিকের পদের বৃদ্ধাঙ্গুলিতে লাগাইলে একশিরা রোগ আরোগ্য হয়।
রাতকানা রোগে প্রতিদিন প্রাতঃকালে 1তোলা গব্যঘৃত কিঞ্চিৎ গোলমরিচ চূর্ণের সহিত খাইলে উপকার হয়।
অথবা পাকা কলার ভিতর জোনাকী পোকা একটি প্রতিদিন একদিন অন্তর অন্তর ক্রমান্বয়ে তিনদিন খেলে রাতকানা রোগ আরোগ্য হয়।