বা্স্তু শাস্ত্রানুসার ভাদ্র মাস থেকে তিন মাস অন্তর পূর্ব দিকে মাথা রেখে বাঁ পাশ করে নাগ
দেবতা শয়ন করে থাকেন।
👉কিন্তু গৃহ যদি নাগদেবতার নাভিতে নির্মাণ করা হয়ে থাকে তাহলে সেই গৃহে কেউই কখন সুখে শান্তিতে থাকতে পারে না , রোগ ব্যাধি অকাল মৃত্যুভয় প্রভৃতি লেগেই থাকে ।
👉আর যদি গৃহ নাগদেবতার মাথাতে গর্ত খুঁড়ে বনানো হয়ে থাকে তাহলে সেই গৃহে বাস করা গৃহ স্বামীর অকাল মৃত্যু হয় ।
👉আবার যদি নাগদেবতার পৃষ্ট দেশে গর্ত খুঁড়ে গৃহের ভিত দেওয়া হয় থাকে তাহলে পরিবারের সন্তানের মৃত্যু হতেই থাকবে ।
👉নাগদেবতার কোমরের নিচে গর্ত খুড়া হলে সেই গৃহে সর্বদা অর্থ হানি হতেই থাকবে ।
👉গৃহ নির্মাণ কালে নাগদেবতার পিঠের দিকে কিংবা পুচ্ছের দিকেও কখনো গর্ত খুড়া ঠিক নয় তাতে গৃহে সর্বদা অমঙ্গল হতেই থাকবে ।।
👍এই জন্য গৃহ নির্মাণ কালে সর্বদা কোন বাস্তু বিশেজ্ঞের সাথে পরামর্শ করে নেওয়া উচিত ।
👌এই নাগ দেবতার কোলে যদি গৃহ নির্মাণ হয়ে
থাকে তাহলে সেই গৃহে বসবাসকারী সকল লোকের অশেষ মঙ্গল সাধিত হয়ে থাকে, গৃহে আয় উন্নতি হয় এবং পরিবারের সকলেই শান্তিতে থাকে ।
✍অতএব গৃহ নির্মাণ সর্বদা নাগ দেবতার কোলে
করতে হয় ।👉কিন্তু গৃহ যদি নাগদেবতার নাভিতে নির্মাণ করা হয়ে থাকে তাহলে সেই গৃহে কেউই কখন সুখে শান্তিতে থাকতে পারে না , রোগ ব্যাধি অকাল মৃত্যুভয় প্রভৃতি লেগেই থাকে ।
👉আর যদি গৃহ নাগদেবতার মাথাতে গর্ত খুঁড়ে বনানো হয়ে থাকে তাহলে সেই গৃহে বাস করা গৃহ স্বামীর অকাল মৃত্যু হয় ।
👉আবার যদি নাগদেবতার পৃষ্ট দেশে গর্ত খুঁড়ে গৃহের ভিত দেওয়া হয় থাকে তাহলে পরিবারের সন্তানের মৃত্যু হতেই থাকবে ।
👉নাগদেবতার কোমরের নিচে গর্ত খুড়া হলে সেই গৃহে সর্বদা অর্থ হানি হতেই থাকবে ।
👉গৃহ নির্মাণ কালে নাগদেবতার পিঠের দিকে কিংবা পুচ্ছের দিকেও কখনো গর্ত খুড়া ঠিক নয় তাতে গৃহে সর্বদা অমঙ্গল হতেই থাকবে ।।
👍এই জন্য গৃহ নির্মাণ কালে সর্বদা কোন বাস্তু বিশেজ্ঞের সাথে পরামর্শ করে নেওয়া উচিত ।
বাস্তু সম্বন্ধিত আরো কিছু জ্ঞাতব্য বিষয়:
গৃহাদি নির্ম্মান আরম্ভ করার সময় কোন বেদজ্ঞ ব্রাম্মণ দিয়ে ধূপ ও পুষ্পাদি উপচার দ্ধারা লোকপাল, নবগ্রহ ও ক্ষেত্রপালাদি দেবগণের পুজা করা উচিত ।নিষ্ঠা ও সতর্কতার সহিত গৃহের বাহিরে ক্রুর ভূতাদিগণের পূজা করা উচিত। তথপশ্চাৎ শ্বেতপুষ্প, তিল ও খই সহযোগে ব্রাম্মন, বাস্তুপুরুষ ও সেই গ্রাম ও নগরাদির অধিদেবতার অর্চ্চনা গৃহকর্ত্তার করা উচিত।
নতুন গৃহে প্রবেশ করার পর সোনা অভাবে হলুদ, রুপা অভাবে শ্বেতপুষ্প, নতুন বস্ত্র ও কুসুমের দ্ধারা গৃহ নির্মাত্তার সহিত দৈবজ্ঞ, দ্বিজ, নিজগুরু, আগত ভিক্ষুক ও বন্ধুবান্ধবদের সম্মানিত করিয়া তৎপর রাত্রিতে ধর্ম্মপুস্তকাদি পাঠ করিয়া গৃহকর্ত্তাকে সূখে নিদ্রা যাপন করিতে হয়।
তাতে বাস্তুভুমি সদা সুখপ্রদ ও আনন্দদায়ক হয়ে থাকে এবং বাস্তুকর্ত্তার যশ ও মান সম্মান সদা বৃদ্ধি পেয়ে থাকে।
গৃহাদি নির্ম্মান আরম্ভ করার সময় কোন বেদজ্ঞ ব্রাম্মণ দিয়ে ধূপ ও পুষ্পাদি উপচার দ্ধারা লোকপাল, নবগ্রহ ও ক্ষেত্রপালাদি দেবগণের পুজা করা উচিত ।নিষ্ঠা ও সতর্কতার সহিত গৃহের বাহিরে ক্রুর ভূতাদিগণের পূজা করা উচিত। তথপশ্চাৎ শ্বেতপুষ্প, তিল ও খই সহযোগে ব্রাম্মন, বাস্তুপুরুষ ও সেই গ্রাম ও নগরাদির অধিদেবতার অর্চ্চনা গৃহকর্ত্তার করা উচিত।
নতুন গৃহে প্রবেশ করার পর সোনা অভাবে হলুদ, রুপা অভাবে শ্বেতপুষ্প, নতুন বস্ত্র ও কুসুমের দ্ধারা গৃহ নির্মাত্তার সহিত দৈবজ্ঞ, দ্বিজ, নিজগুরু, আগত ভিক্ষুক ও বন্ধুবান্ধবদের সম্মানিত করিয়া তৎপর রাত্রিতে ধর্ম্মপুস্তকাদি পাঠ করিয়া গৃহকর্ত্তাকে সূখে নিদ্রা যাপন করিতে হয়।
তাতে বাস্তুভুমি সদা সুখপ্রদ ও আনন্দদায়ক হয়ে থাকে এবং বাস্তুকর্ত্তার যশ ও মান সম্মান সদা বৃদ্ধি পেয়ে থাকে।
গৃহ নির্মান বিশেষ:
বাস্তু শাস্ত্রানুসার নতুন গৃহ নির্মানাদির সময় ঈশানকোণ হতে সূত্রপাত করতে হয় এবং অগ্নিকোণে স্তম্ভরোপণ করিতে হয়। আর বামাবর্ত্তক্রমে নবম ভাগের একভাগে দ্ধার করিতে হয় তাতে বাস্তুস্বামীর মঙ্গল হয় ।
কিন্তু গৃহ আরম্ভ সময় যদি বিনা কারণে সূত্র ছিন্ন হয় তাহা হইলে সেই গৃহে বসবাসকালে শীগ্রই গৃহস্বামীর মৃত্যু হয়ে থাকে। এবং আরোপিত খোঁটা যদি হঠাৎ উৎপাটিত হয়ে যায় তাহা হইলে গৃহস্বামীর মহা রোগ হয়ে থাকে । গৃহস্বামী ও স্থপতির ভ্রম ঘটিলে মৃত্যু হওয়ার সম্ভাবনা বেশী থাকে।
গৃহ নির্মানকালে সূত্রপাতের সময় গৃহস্বামী স্ত্রীলোকের উলুধ্বনি,মেঘগর্জন, হস্তী এবং হংসের ধ্বনি শ্রবন করিলে বাসগৃহে গৃহস্বামীর ধনধান্য সূখ শান্তি ও সমৃদ্ধি লাভ হয়ে থাকে এইজন্যই গৃহনির্মানকালে স্ত্রীলোকেদের উলুধ্বনি দিতে হয়।
যদ্যপি গৃহস্বামী যদি নিজের মঙ্গল কামনা করে থাকেন তাহলে গৃহ আরম্ভের সূত্রপাত কালে কুব্জ, ভিক্ষু, বৈদ(চিকিৎসক) ও রোগগ্রস্ত ব্যক্তিকে কখনই দর্শন করিতে নেই নইলে সেই গৃহে কোন না কোন ভাবে সদাই অমঙ্গল লেগেই থাকবে .
বাস্তু শাস্ত্রানুসার নতুন গৃহ নির্মানাদির সময় ঈশানকোণ হতে সূত্রপাত করতে হয় এবং অগ্নিকোণে স্তম্ভরোপণ করিতে হয়। আর বামাবর্ত্তক্রমে নবম ভাগের একভাগে দ্ধার করিতে হয় তাতে বাস্তুস্বামীর মঙ্গল হয় ।
কিন্তু গৃহ আরম্ভ সময় যদি বিনা কারণে সূত্র ছিন্ন হয় তাহা হইলে সেই গৃহে বসবাসকালে শীগ্রই গৃহস্বামীর মৃত্যু হয়ে থাকে। এবং আরোপিত খোঁটা যদি হঠাৎ উৎপাটিত হয়ে যায় তাহা হইলে গৃহস্বামীর মহা রোগ হয়ে থাকে । গৃহস্বামী ও স্থপতির ভ্রম ঘটিলে মৃত্যু হওয়ার সম্ভাবনা বেশী থাকে।
গৃহ নির্মানকালে সূত্রপাতের সময় গৃহস্বামী স্ত্রীলোকের উলুধ্বনি,মেঘগর্জন, হস্তী এবং হংসের ধ্বনি শ্রবন করিলে বাসগৃহে গৃহস্বামীর ধনধান্য সূখ শান্তি ও সমৃদ্ধি লাভ হয়ে থাকে এইজন্যই গৃহনির্মানকালে স্ত্রীলোকেদের উলুধ্বনি দিতে হয়।
যদ্যপি গৃহস্বামী যদি নিজের মঙ্গল কামনা করে থাকেন তাহলে গৃহ আরম্ভের সূত্রপাত কালে কুব্জ, ভিক্ষু, বৈদ(চিকিৎসক) ও রোগগ্রস্ত ব্যক্তিকে কখনই দর্শন করিতে নেই নইলে সেই গৃহে কোন না কোন ভাবে সদাই অমঙ্গল লেগেই থাকবে .
🏘গৃহ নির্মাণের
পূর্বে কয়েকটি বিচারণীয় বিষয়:
🏀যোগ: যোগ কথাটির অর্থ হলো যে মাসে বা যে দিনে গৃহ নির্মাণ শুরু করবেন সেই দিনটিতে কত দন্ড থেকে কত দণ্ডের মধ্য পর্য্যন্ত শুভ যোগ আছে তা দেখে গৃহ নির্মাণ করতে হয় ।
গৃহ নির্মাণ কালে যদি বজ্রযোগ, ব্যাঘাত যোগ, শূল যোগ, গন্ড যোগ প্রভৃতি অশুভ যোগ থাকলে আর সেই সময় জদি গৃহ নির্মাণ শুরু করেন তাহলে তা অশুভ থাকবে এই জন্য সর্বদা শুভ যোগেই গৃহ নির্মাণ করতে হয়।
🏀নক্ষত্র; গৃহারম্ব কালে যেমন মাস, বার, তিথি, যোগ দেখতে হয় তেমনি নক্ষত্র বিচারও করতে হয় নইলে সেই গৃহ সদা অশুভ ফলদায়ী হয়ে থাকে 27টি নক্ষত্রের মধ্যে রোহিনী, মৃগশিরা, হস্তা, চিত্রা, পুষয়া , স্বাতী প্রভৃতি শুভ নক্ষত্রে গৃহ নির্মাণ করলে শুভ হয়।
👍এই জন্য নতুন গৃহ নির্মাণের পূর্বে কোন বাস্তু বিদের সাথে পরামর্শ করে দিনক্ষণ নির্ধারিত করে নিয়ে গৃহনির্মান করুন তখন আপনার স্বাদের বাড়ী বা ফ্ল্যটে শান্তি ও আনন্দ বজায় থাকবে এবং ঘর স্বর্গের নন্দন কানন হয়ে উঠবে।
🏀যোগ: যোগ কথাটির অর্থ হলো যে মাসে বা যে দিনে গৃহ নির্মাণ শুরু করবেন সেই দিনটিতে কত দন্ড থেকে কত দণ্ডের মধ্য পর্য্যন্ত শুভ যোগ আছে তা দেখে গৃহ নির্মাণ করতে হয় ।
গৃহ নির্মাণ কালে যদি বজ্রযোগ, ব্যাঘাত যোগ, শূল যোগ, গন্ড যোগ প্রভৃতি অশুভ যোগ থাকলে আর সেই সময় জদি গৃহ নির্মাণ শুরু করেন তাহলে তা অশুভ থাকবে এই জন্য সর্বদা শুভ যোগেই গৃহ নির্মাণ করতে হয়।
🏀নক্ষত্র; গৃহারম্ব কালে যেমন মাস, বার, তিথি, যোগ দেখতে হয় তেমনি নক্ষত্র বিচারও করতে হয় নইলে সেই গৃহ সদা অশুভ ফলদায়ী হয়ে থাকে 27টি নক্ষত্রের মধ্যে রোহিনী, মৃগশিরা, হস্তা, চিত্রা, পুষয়া , স্বাতী প্রভৃতি শুভ নক্ষত্রে গৃহ নির্মাণ করলে শুভ হয়।
👍এই জন্য নতুন গৃহ নির্মাণের পূর্বে কোন বাস্তু বিদের সাথে পরামর্শ করে দিনক্ষণ নির্ধারিত করে নিয়ে গৃহনির্মান করুন তখন আপনার স্বাদের বাড়ী বা ফ্ল্যটে শান্তি ও আনন্দ বজায় থাকবে এবং ঘর স্বর্গের নন্দন কানন হয়ে উঠবে।
