অনেকেই হয়তো পুরুষাকার শ্রেষ্ঠ না দৈববল এই
বিষয়টাকে নিয়ে জীবনে অনেকবার নিজের মনের সাথে চিন্তন করেছেন এবং
নিজেদের বিবেক ও শক্তির আঁধারে হয়তো উত্তর ও খুঁজে নিয়েছেন ।
যাঁরা সকল বিষয়ে যুক্তি তর্ক নিয়ে চলেন বা সকল কিছুতেই যুক্তি তর্ক খাটিয়ে নিজের গরিমা দেখাতে চান তারা অবশ্যই বলবেন দৈববল থেকে পুরুষাকার শ্রেষ্ঠ আর তাদের সপক্ষে নানান যুক্তি তর্ক দেখাবেন ।
কিন্তু আসল কথা দৈব বলের কাছে কোন পুরুষাকারই কিছুই নয় । এ বিষয়ে মহাভারত থেকে উদাহরণ উল্লেখ করেছি
কৌরবরা পরাক্রম ও পুরুষারথের দিক থেকে কোন দিকেই পান্ডবদের থেকে কম ছিল না বরং অনেক ক্ষেত্রে পান্ডবদের থেকেও শক্তি সৈন্য সামন্ত অস্ত্র শাস্ত্র অনেকগুন বেশি ছিল কিন্তু তারপরও পান্ডবদের কাছে হারতে হয়েছে কারণ দৈববল পান্ডবদের অনুকূলে ছিল।
দুরজধন ভ্রাতা দুঃশাসনেরও অনেক শক্তি ও সামর্থ্য ছিল কিন্তু সকল শক্তি ও সামর্থ্য দিয়েও একেলা অবলা ও নিরস্ত্র দ্রৌপদীর পরনের কাপড় খুলে নির্বস্ত্র করতে পারে নি,
তখন দুঃশাসন লজ্জিতাবস্থায় তার জ্যেষ্ঠভ্রাতা দুরজয়ধন কে সম্বোধন করে বললো "দৈবঞ্চ পরমং মান্য পৌরুসঞ্চাপ্যানর্থকম।
ধিগস্তু পৌরুষং মন্ত্রং যদ্ধরন্তিহ পান্ডবা:"
অর্থ্যাৎ লজ্জিত দু:শাসন দুর্জয়ধন কে বললো ধিক্কার হে এমন পুরুষারথের যে পুরুষারথের দ্ধারা সামান্য এক অবলা নারীকে নগ্ন করতে পারি নি, আমি মনে করি দৈব ও মন্ত্র বলই সব থেকে শ্রেষ্ঠ, দৈব বলের কাছে সকল পুরুষারথই ব্যর্থ। আর এই জন্য আমাদের সকল পুরুষারথ থাকা সত্ত্বেও পাণ্ডবরাও এখনো বেঁচে আছে।
স্বয়ং ভগবান দ্রৌপদীর রক্ষাকর্তা ছিলেন বলেই দু:শাসনের মতো অসুরও দ্রৌপদীর লজ্জা হরণ করতে পারে নি।
এই উদাহরণ থেকে সহজেই বুঝা যায় যে দৈববল ই সবথেকে প্রবল, দৈববলের কাছে সকল পুরুষারথই ব্যর্থ।
এই জন্যই জ্যোতিষীরা দৈব শক্তির দ্ধারা, অসহায় নিপীড়িত সমস্যায় জর্জরিত মানুষের কল্যাণের জন্য দৈববল কে কিভাবে অনুকূল করা যায় এজন্য বিভিন্ন উপায় দিয়ে থাকেন ।
আর প্রতিটি মানুষের ও উচিত জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে অদম্য সফলতা লাভের জন্য নিজের পুরুষারথের সাথে সাথে দৈব বল কে নিজের অনুকূল করা। নিজের পুরুষারথ বৃদ্ধির জন্য সৎ কর্ম , সঠিক ব্যবস্থা এবং সঠিক সময়ে সঠিক ভাবে কাজ করা, এবং দৈববল কে অনুকূল করার জন্য নিজের ইষ্ট দেবের কাছে প্রার্থনা করা, ইষ্ট মন্ত্র জপ করা এবং প্রতিকূল গ্রহের প্রতিকার করা তখনই প্রতিটি ক্ষেত্রে দেখবেন সফল হতে পারবেন।।ওঁ শান্তি ওঁ।।
যাঁরা সকল বিষয়ে যুক্তি তর্ক নিয়ে চলেন বা সকল কিছুতেই যুক্তি তর্ক খাটিয়ে নিজের গরিমা দেখাতে চান তারা অবশ্যই বলবেন দৈববল থেকে পুরুষাকার শ্রেষ্ঠ আর তাদের সপক্ষে নানান যুক্তি তর্ক দেখাবেন ।
কিন্তু আসল কথা দৈব বলের কাছে কোন পুরুষাকারই কিছুই নয় । এ বিষয়ে মহাভারত থেকে উদাহরণ উল্লেখ করেছি
কৌরবরা পরাক্রম ও পুরুষারথের দিক থেকে কোন দিকেই পান্ডবদের থেকে কম ছিল না বরং অনেক ক্ষেত্রে পান্ডবদের থেকেও শক্তি সৈন্য সামন্ত অস্ত্র শাস্ত্র অনেকগুন বেশি ছিল কিন্তু তারপরও পান্ডবদের কাছে হারতে হয়েছে কারণ দৈববল পান্ডবদের অনুকূলে ছিল।
দুরজধন ভ্রাতা দুঃশাসনেরও অনেক শক্তি ও সামর্থ্য ছিল কিন্তু সকল শক্তি ও সামর্থ্য দিয়েও একেলা অবলা ও নিরস্ত্র দ্রৌপদীর পরনের কাপড় খুলে নির্বস্ত্র করতে পারে নি,
তখন দুঃশাসন লজ্জিতাবস্থায় তার জ্যেষ্ঠভ্রাতা দুরজয়ধন কে সম্বোধন করে বললো "দৈবঞ্চ পরমং মান্য পৌরুসঞ্চাপ্যানর্থকম।
ধিগস্তু পৌরুষং মন্ত্রং যদ্ধরন্তিহ পান্ডবা:"
অর্থ্যাৎ লজ্জিত দু:শাসন দুর্জয়ধন কে বললো ধিক্কার হে এমন পুরুষারথের যে পুরুষারথের দ্ধারা সামান্য এক অবলা নারীকে নগ্ন করতে পারি নি, আমি মনে করি দৈব ও মন্ত্র বলই সব থেকে শ্রেষ্ঠ, দৈব বলের কাছে সকল পুরুষারথই ব্যর্থ। আর এই জন্য আমাদের সকল পুরুষারথ থাকা সত্ত্বেও পাণ্ডবরাও এখনো বেঁচে আছে।
স্বয়ং ভগবান দ্রৌপদীর রক্ষাকর্তা ছিলেন বলেই দু:শাসনের মতো অসুরও দ্রৌপদীর লজ্জা হরণ করতে পারে নি।
এই উদাহরণ থেকে সহজেই বুঝা যায় যে দৈববল ই সবথেকে প্রবল, দৈববলের কাছে সকল পুরুষারথই ব্যর্থ।
এই জন্যই জ্যোতিষীরা দৈব শক্তির দ্ধারা, অসহায় নিপীড়িত সমস্যায় জর্জরিত মানুষের কল্যাণের জন্য দৈববল কে কিভাবে অনুকূল করা যায় এজন্য বিভিন্ন উপায় দিয়ে থাকেন ।
আর প্রতিটি মানুষের ও উচিত জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে অদম্য সফলতা লাভের জন্য নিজের পুরুষারথের সাথে সাথে দৈব বল কে নিজের অনুকূল করা। নিজের পুরুষারথ বৃদ্ধির জন্য সৎ কর্ম , সঠিক ব্যবস্থা এবং সঠিক সময়ে সঠিক ভাবে কাজ করা, এবং দৈববল কে অনুকূল করার জন্য নিজের ইষ্ট দেবের কাছে প্রার্থনা করা, ইষ্ট মন্ত্র জপ করা এবং প্রতিকূল গ্রহের প্রতিকার করা তখনই প্রতিটি ক্ষেত্রে দেখবেন সফল হতে পারবেন।।ওঁ শান্তি ওঁ।।
