জন্মগত শুদ্র ব্যক্তিও যদি ধর্মপথে থাকে, জ্ঞানী ও পণ্ডিত
হয় তাহলে সে ব্যক্তি অবশ্যই পূজনীয়। আর জন্মগত ব্রাম্মন ব্যক্তিও যদি আচারহীন,
মূর্খ ও ধর্মভ্রষ্ট হয়ে থাকে তাহলে সে নরাধম ব্যক্তি কখনই পূজনীয় হতে পারে না।।
ব্রাম্মন ছাড়া দেবতার পূজো যে হয় না তা সত্য নয়, এটা একটা
ভ্রান্ত ধারণা মাত্র। পূজোর বিধি যদি জানা থাকে, মনে যদি ভক্তি ভাব থাকে এবং দেহ
যদি শুদ্ধি থাকে তাহলে যে কেহই দেবতার পূজো দিতে পারে। তাতে অন্যায় কিছু নেই, ভক্তিভরে
দেওয়া পূজো যে কোন জাতির লোকের দ্ধারাই হোক না কেন ভগবান তা গ্রহণ করে থাকেন।
ব্রাম্মন ছাড়া দেবতার পূজো যে হয় না তা সত্য নয়, এটা একটা
ভ্রান্ত ধারণা মাত্র। পূজোর বিধি যদি জানা থাকে, মনে যদি ভক্তি ভাব থাকে এবং দেহ
যদি শুদ্ধি থাকে তাহলে যে কেহই দেবতার পূজো দিতে পারে। তাতে অন্যায় কিছু নেই, ভক্তিভরে
দেওয়া পূজো যে কোন জাতির লোকের দ্ধারাই হোক না কেন ভগবান তা গ্রহণ করে থাকেন।
ব্রাম্মন, বৈশ্য, ক্ষত্রিয় ও শুদ্র এই চারিজাতি বর্ণ
ব্যবস্থা জন্মগত কারো কোন সার্টিফিকেট নয়, এটা শুধু কর্মগত পদবী মাত্র ।
ধর্ম আচারের অনুগত। মানব সদাচার পরায়ণ হলে পবিত্রতা, বলবৃদ্ধি ও ধর্মলাভ হয়ে থাকে। ব্রাম্মমূহুর্ত্তে শয্যাত্যাগ, প্রাতকৃত: সমাপন, দেব-দ্ধিজ-গুরু ভক্তি, স্নান, দেবার্চ্চন, পবিত্র ভোজন এসবই হলো আচারের অধীন। বর্তমান সময়েও কাহাকেও কাহাকেও নিরোগী ও দীর্ঘজীবী হয়ে সুখে শান্তিতে থাকতে দেখা যায়, তাঁর একমাত্র কারন হলো সদাচার, ধর্মপরায়ণতা ও পবিত্র ভোজন। ম্লেচ্ছান্নভোজী, স্বেচ্ছাচারী ও দূরাচারী ব্যক্তি কখনই জীবনে সূখী হতে পারে না, নানাবিধ রোগ ব্যধিতে আক্রান্ত হয়ে অল্পায়ূতেই মৃত্যু হতে দেখা যায়। আচারবিহীনতা ও ধর্ম্ম ত্যাগই রোগ-শোক ও দূ:খের মূল কারন একটু বিবেচনা করে দেখলেই একথা স্পষ্ট বুঝতে পারা যায়।।।ওঁ শান্তি ওঁ।।
ধর্ম আচারের অনুগত। মানব সদাচার পরায়ণ হলে পবিত্রতা, বলবৃদ্ধি ও ধর্মলাভ হয়ে থাকে। ব্রাম্মমূহুর্ত্তে শয্যাত্যাগ, প্রাতকৃত: সমাপন, দেব-দ্ধিজ-গুরু ভক্তি, স্নান, দেবার্চ্চন, পবিত্র ভোজন এসবই হলো আচারের অধীন। বর্তমান সময়েও কাহাকেও কাহাকেও নিরোগী ও দীর্ঘজীবী হয়ে সুখে শান্তিতে থাকতে দেখা যায়, তাঁর একমাত্র কারন হলো সদাচার, ধর্মপরায়ণতা ও পবিত্র ভোজন। ম্লেচ্ছান্নভোজী, স্বেচ্ছাচারী ও দূরাচারী ব্যক্তি কখনই জীবনে সূখী হতে পারে না, নানাবিধ রোগ ব্যধিতে আক্রান্ত হয়ে অল্পায়ূতেই মৃত্যু হতে দেখা যায়। আচারবিহীনতা ও ধর্ম্ম ত্যাগই রোগ-শোক ও দূ:খের মূল কারন একটু বিবেচনা করে দেখলেই একথা স্পষ্ট বুঝতে পারা যায়।।।ওঁ শান্তি ওঁ।।
অনুপম মোহান্ত
(আধ্যাত্মিক গুরু ও
তান্ত্রিক-জ্যোতিষী)
